‘অন্যের কষ্টে মানুষ আনন্দ পায়’

‘হীরামন্ডি’তে ফারদিন খান। ইনস্টাগ্রাম থেকে

অনেক দিন অভিনয়ে ছিলেন না। কিন্তু সঞ্জয়লীলা বানসালির বহুল চর্চিত সিরিজ ‘হীরামান্ডি’ দিয়ে আবার আলোচনায় অভিনেতা ফারদিন খান।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম জুম টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনয় থেকে বিরতি নেওয়ার বিষয়ে কটাক্ষের শিকার হওয়া নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন ফারদিন।

আরও পড়ুন

‘হীরামান্ডি’ দিয়ে ১৪ বছর পর অভিনয়ে ফিরেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ফারদিন খান। তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, কাজটা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। বিশেষ করে ২০১৬ সালে যখন তাঁর ওজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষ করা হয়, সেটা তাঁকে খুব কষ্ট দিয়েছিল। তখন অভিনেতার একটি ছবি রাতারাতি ভাইরাল হয়েছিল। স্থূলকায় ফারদিনকে নিয়ে অন্তর্জালে নানাভাবে কটাক্ষ করা হয়েছে।

ফারদিন খান। ইনস্টাগ্রাম থেকে

নতুন দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন অভিনেতা। ফারদিন বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছিলাম এই ধরনের কথাবার্তা শুনে। মানুষ আমার ছবি দেখে চমকে গিয়েছিল, তবে সেটা নেতিবাচকভাবে। তবে সিনেমা পরিবারে বড় হওয়ার সুবাদে আমি এ ধরনের পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করতে হয়, সেটা জানতাম। এ রকম পরিস্থিতিতে আপনি হাস্যরস খুঁজে পেতে পারেন। এ বিষয়ে দার্শনিক আলোচনা করতে পারেন। আপনি শিখতেও পারেন। আমি তিনটিই করার চেষ্টা করেছি।’

এ প্রসঙ্গে ফারদিন আরও বলেন, ‘ট্রলিংয়ের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। এতটা বাজেভাবে মানুষ প্রতিক্রিয়া জানাবে, ভাবিনি। অনেক কষ্টে মানুষ আনন্দ পায়। অন্যের দুঃখ ও হতাশার মধ্যে নিজেরা আনন্দ খুঁজে পায়, এটা ভেবে অবাক হতে হয়।’
মাত্র ৬ মাসে ১৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে বছর দুয়েক আগে আইফার মঞ্চে ধরা দিয়েছিলেন ফারদিন।

২০০০ সালে ‘জঙ্গল’ ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছিলেন ফিরোজ খানের পুত্র ফারদিন। যদিও তাঁর প্রথম ছবি ‘প্রেম আগান’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৮ সালে। এরপর এক দশক চুটিয়ে বলিউডে কাজ করেছেন ফারদিন খান। অভিনেতাকে রুপালি পর্দায় শেষ দেখা গিয়েছে ২০১০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘দুলহা মিল গালা’তে। গর্ভের যমজ সন্তানের মৃত্যু ও বাবার মৃত্যুর যন্ত্রণা অবসাদ ঠেলে দিয়েছিল ফারদিনকে। তবে সেসব ভুলে আবার স্বমহিমায় ফিরেছেন তিনি।