বলিউডে সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, এই ছবির শুটিং শেষে তাঁরা বিয়ে করবেন। শুটিং চলাকালীন তাঁরা আংটিও বদল করেন। কিন্তু এর পর থেকেই ছোট ছোট বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে সব সময় ঝগড়া হতে থাকে।

ছবিটি ২০০২ সালে মুক্তি পেয়েছিল। বক্স অফিসে ছবিটি যেমন সাফল্য পায়নি, তেমনি তাঁদের সম্পর্কও আর টেকেনি। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁরা আলাদা হয়ে যান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ছবির প্রযোজক সুনীল দর্শন এসব বিষয় জানান। তিনি আরও জানান, সবাই যখন তাঁদের পারফেক্ট জুটি বলছিলেন, তখন শুটিং সেটে তাঁদের ঝগড়া দেখে মনে প্রশ্ন উঠত, তাঁরা কীভাবে একে অপরের জন্য পারফেক্ট হন!

কারিশমা তখন বলিউডে তারকাখ্যাতি পেয়ে গেছেন আর অভিষেকের পথচলা শুরুর দিক। তারপরও তাঁদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল সম্পর্ক। কিন্তু কেবল মতের অমিলের কারণে ২০০২ সালে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এই সম্পর্ক ভাঙার কারণ হিসেবে এত দিন একেকজন একেক রকম কথা বললেও আসল কারণ সামনে এল ২০ বছর পর।

পরের বছরই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন কারিশমা। দিল্লির ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু তাঁর দাম্পত্যজীবন সুখের হয়নি। ২০১৬ সালে আইনিভাবে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। অন্যদিকে ২০০৭ সালে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইকে বিয়ে করেন অভিষেক। তাঁদের সংসারে রয়েছে এক কন্যাসন্তান।