default-image

‘শমশেরা’র মতো অ্যাকশনধর্মী পিরিয়ড ছবিতে কাজ করা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক চরিত্রে পর্দায় আসা আমার জন্য বেশ কঠিন ছিল। শুরুতে নিজেই নিজের লুক দেখে অবাক হয়েছিলাম। তবে যেকোনো চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিক শক্তি ও একাগ্রতা আমার আছে। ছবির শুটিং শুরুর আগে বেশ প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল। বেশ কিছু পুরোনো সিনেমা দেখেছিলাম। চরিত্রগুলো অনুভব করার চেষ্টা করেছিলাম। বাকিটা আমি করণের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলাম। আশা করি, সোনার চরিত্র দিয়ে দর্শকদের হৃদয় ছুঁতে পারব।’

default-image

তবে বাণী মনে করেন, কোনো চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে বুঝে ওঠার জন্য তার আবেগকে অনুভব করা জরুরি। এই বলিউড নায়িকা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে সবার আগে চরিত্রটির আবেগের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। চরিত্রটি যেকোনো সময়ের হতে পারে। কিন্তু চরিত্রের মধ্যে রাগ, দুঃখ, কষ্ট, আনন্দসহ নানা অনুভূতি থাকবে। কিন্তু প্রত্যেকের বহিঃপ্রকাশ আলাদা। একটা চরিত্রের ক্ষেত্রেও তা–ই। শিল্পী হওয়ার মজা হলো বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে ভিন্ন অনুভূতিকে আবিষ্কার করতে পারি। চরিত্রের মাধ্যমে আলাদা আলাদা জীবনের স্বাদ পাই।’

default-image

বাণীকে যশরাজ ফিল্মসের ছবিতেই বেশি দেখা যায়। ‘শমশেরা’র আগে এই প্রযোজনা সংস্থার আরও তিন ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এর কারণ জানতে চাইলে এই বলিউড তারকা বলেন, ‘প্রযোজনা সংস্থা দেখে ছবি নির্বাচন করি না। অভিনেত্রী হিসেবে যে চরিত্রটা বেশি আকৃষ্ট করে, সেই ছবি সাধারণত করি। যেমন ধরুন, চণ্ডীগড় করে আশিকি। আমার কাছে প্রচুর প্রস্তাব আসে। চিত্রনাট্য বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেখি—চরিত্রের সঙ্গে আমি ইমোশনালি কানেক্ট হচ্ছি কি না। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটিতে বিশ্বাসী। সব সময় চেষ্টা করি সঠিক ছবি নির্বাচন করতে। যাতে আগামী দিনে আরও ভালো ভালো কাজের সুযোগ পাই।’

default-image

‘শমশেরা’য় রণবীর কাপুর ও সঞ্জয় দত্তের মতো তারকারা মূল চরিত্রে আছেন। এই দুই তারকার সঙ্গে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে বাণী বলেন, ‘শুটিংয়ের সময় খুব মজা করেছিলাম। রণবীর কাপুর ও সঞ্জয় দত্তের মতো দুরন্ত অভিনেতার সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক গর্বের। তাঁদের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করা মানে প্রতিমুহূর্তে কিছু না কিছু শেখা। নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করা।’ যশরাজ ফিল্মস প্রযোজিত ‘শমশেরা’ মুক্তি পাবে ২২ জুলাই।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন