সদ্য শেষ হয়েছে এই ছবির শুটিং। শুটিং সেট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করে এই ছবির পেছনের গল্প ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন কঙ্গনা। তিনি জানান, এই ছবির জন্য কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাঁকে। এই ছবির শুটিং সম্পন্ন করতে কঙ্গনা তাঁর ব্যক্তিগত সব সম্পত্তি আমানত রেখে টাকা নিয়েছেন। অবশেষে সেই টাকা দিয়ে শুটিং সম্পন্ন করেছেন।

এই ছবির শুটিং সম্পূর্ণ করতে গিয়ে যে শুধু যে টাকা বাধা হয়েছিল, তা নয়। শুটিংয়ের শুরুর দিকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এই সময় তাঁর রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ অনেক কমে যায়। এ ছাড়া চরিত্রের জন্য চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিতে অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে সফলভাবেই শেষ করেছেন এই ছবির শুটিং।
এই বাধাবিপত্তি থেকে অনেক কিছু শিখেছেন কঙ্গনা। সেগুলোও তিনি শেয়ার করেছেন ভক্তদের জন্য। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন সার্থক করার জন্য কঠোর পরিশ্রম যথেষ্ট নয়। স্বপ্নের পথ পাড়ি দিতে অনেক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এই সময় শান্ত আর শক্ত থাকতে না পারলে স্বপ্নকে ছোঁয়া যাবে না। আমি আমার স্বপ্নকে ছুঁয়েছি।’ আর এর জন্য কঙ্গনা তাঁর টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এবং ভক্তদের থেকে ভালোবাসা চেয়েছেন।

ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জীবনকে নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি। তবে এই ছবিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন থেকে টানা ২১ মাস ভারতে জারি করা জরুরি অবস্থার ঘটনাটি। কঙ্গনা আগেই বলে দিয়েছেন, ছবিটি কোনো বায়োপিক নয়, এটা একটা রাজনৈতিক ছবি। আর ছবিটি বর্তমান প্রজন্মকে সাহায্য করবে ভারতের বর্তমান সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে বুঝতে।