ছবি মুক্তির বিষয়ে এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আইনজীবীর মাধ্যমে বিচার–বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত দেবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাইফুল ইসলাম জানান দু-এক দিনের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ–সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হবে।
সিনেমা আমদানি-রপ্তানি কমিটির এক সদস্য ও পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ বলেন, ‘নিয়ম মেনে “পাঠান” বাংলাদেশের হলে চলবে, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সিনেমার আদান–প্রদানের এই নীতিমালায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।  নীতিমালার ৩৬–এর (ক) ও (খ)–এর ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে, উপমহাদেশের যেকোনো ভাষার সিনেমা আমদানি করা যাবে না। কিন্তু  (গ)–এর ব্যাখ্যায় আবার বলা হচ্ছে—বাংলাদেশে নির্মিত চলচ্চিত্র সাফটাভুক্ত দেশসমূহে রপ্তানির বিপরীতে সমানসংখ্যক চলচ্চিত্র তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট দেশ হইতে আমদানি করা যাবে।

(গ)–এর ধারায় ‘পাঠান’ আমদানির  জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু নীতিমালায় একই অনুচ্ছেদে দুই রকম ব্যাখ্যা দেখা যাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তাই তাদের কাছে এই ধারার সঠিক ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে মিটিংয়ে।’

এ দিকে জানা গেছে ‘পাঠান’ আমদানির বিষয়ে মিটিং শুরু হলে কমিটির বেশ কয়েকজন নীতিমালার (ক) ও (খ) ধারা দেখিয়ে বিরোধিতা করেন।

আবার কেউ কেউ নীতিমালার (গ) ধারা দেখিয়ে ‘পাঠান’ আমদানির পক্ষে মতামত দেন। আবেদনকারী প্রযোজক নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে বলেন, ‘শুনলাম ‘পাঠান’ বিষয়ে আজ কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নীতিমালাসংক্রান্ত জটিলতায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
গত বুধবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে ‘পাঠান’ আমদানি করার আবেদন করা হয়। তার আগে ২০১৯ সালে শাকিব খান অভিনীত ‘পাঙ্কু জামাই’ ছবিটি রপ্তানি করে রেখেছে ওই প্রযোজক। জানা গেছে মুম্বাইয়ের আন্তর্জাতিক একটি পরিবেশক সংস্থা ওয়ান ওয়ার্ল্ড মুভিজের মাধ্যমে বাংলাদেশে ‘পাঠান’ আমদানি হওয়ার কথা।