তিনি এই আসরে বলিউডে অভিষেকের আগের দিনগুলোর প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘যেসব দিন আমি দেখেছি, আমি চাই না যে আর কেউ ওই দিনগুলো দেখুক। আমি চাই না আমার মতো কষ্টের মধ্যে কেউ জীবন অতিবাহিত করুক। আমাকে আমার বর্ণের কারণে বারবার অপমান করা হয়েছে। আর এই অপমান বেশ কিছু বছর ধরে চলেছিল। আমার জীবনে এমন অনেক দিন গেছে, যখন আমি খালি পেটে শুয়েছি। আর কোথায় রাত কাটাব, ভেবে কেঁদে ফেলতাম।’

মিঠুন আরও বলেছেন, ‘একদিন খাবার জুটলেও পরে কী খাব বা কোথায় শুতে পারব, তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যেতাম। এমনকি অনেক দিন গেছে যখন আমি ফুটপাতে ঘুমিয়েছি।’ নিজের আত্মজীবনীমূলক ছবির প্রসঙ্গে এই সুপারস্টার বলেছেন, ‘এসব কারণে আমি চাই না যে আমার জীবনকে নিয়ে ছবি নির্মাণ করা হোক। কারণ, আমার জীবন কাউকে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে হয় না। বরং আমার কাহিনি মানুষকে মানসিকভাবে ভেঙে দেবে। আমি শুধু বলতে পারি, সবাই নিজের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য যেন খুব পরিশ্রম করে। আর আমি যদি করতে পারি, তাহলে সবাই নিশ্চয় করতে পারবে।’

মিঠুনকে শেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিতে। বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত এই ছবিতে মিঠুন ছাড়া ছিলেন অনুপম খের, দর্শন কুমার, পল্লবী যোশি, পুণিত ঈশ্বরসহ আরও অনেকে। ছবিটি চিত্রসমালোচক থেকে সিনেমাপ্রেমী সবার মন জয় করেছে। বক্স অফিসেও দারুণ সাড়া ফেলেছে মিঠুন অভিনীত ছবিটি।