default-image

মিঠুন বলেন, ‘সবাইকে নানা ধরনের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আমারটা ছিল ভীষণ কঠিন। মাঝেমধ্যে মনে হতো, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না। এই হতাশা থেকে আত্মহত্যার কথা পর্যন্ত ভেবেছি। বেশ কিছু কারণে কলকাতাতেও ফিরে যেতে পারছিলাম না। তবে আমার পরামর্শ, যুদ্ধ না করে জীবন শেষ করে যাওয়ার চিন্তা করা উচিত নয়। আমি জন্মগতভাবে একজন যোদ্ধা, যে হারতে জানে না। দেখুন, এখন আমি কোথায় পৌঁছে গেছি।’

default-image

চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারে চার দশকের বেশি সময় পার করেছেন অভিনেতা। দীর্ঘ এই চলচ্চিত্র ভ্রমণে কী পরিবর্তন দেখলেন। এ প্রশ্নের উত্তরে মিঠুন বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ কমেছে। এর জন্য মূলত দায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনলাইনের করণে নেতিবাচক বিষয় নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আগে আমরা একসঙ্গে বসতাম, খাবার খেতাম। কিন্তু এখন যে যার ভ্যানিটি ভ্যানে বসে থাকে, নিজের ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।’

default-image

অসুস্থতার কারণে কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে অনিয়মিত মিঠুন। তবে চলতি বছর প্রশংসিত হয়েছেন আলোচিত-সমালোচিত ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’-এর জন্য। সামনে বাংলা সিনেমা ‘প্রজাপতি’তে দেখা যাবে তাঁকে। সঞ্জয় দত্ত ও জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে মিঠুনের ছবিও মুক্তি পাবে। এ ছবি নিয়ে মুখ খোলেননি অভিনেতা। এ ছাড়া ছোট পর্দায় রিয়েলিটি শোর বিচারক হিসেবেও দেখা যাবে মিঠুনকে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন