আমার ছেলেদেরও সব সময় বলি, কাঁদতে ইচ্ছা করলে কাঁদবে: কারিনা কাপুর

কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগাম থেকে

মেঘনা গুলজার পরিচালিত ‘দায়রা’ ছবি দিয়ে আবার বড় পর্দায় আসছেন কারিনা কাপুর খান। ছবিটি ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। থ্রিলার ছবিটিতে বেবোকে পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে। মুম্বাইয়ের এক প্রেক্ষাগৃহে গত সোমবার ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কিছু কথা ভাগ করে নেন কারিনা।

অভিনয়ের সীমা

‘দায়রা’ ছবির ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে একদম খোলামেলা মেজাজে ধরা দিয়েছিলেন কারিনা। কারিনা বলেন, ‘আমার প্রতিভা নিয়ে আমি সব সময়ই আত্মবিশ্বাসী। বরাবরই বলেছি, অভিনয় আমার রক্তে মিশে আছে। অভিনয় ছাড়া আর কিছুই আমি জানি না। আমার মনে হয়, অভিনয় করার জন্যই আমার জন্ম। তবে এটাও বলি আমি এই (কাপুর) পরিবারের সদস্য বলেই যে অভিনয়ে এসেছি, বিষয়টা মোটেই তেমন নয়। বরং আমার মনে হয়, এই পরিবারের অন্যদের থেকে আমি আলাদা। কারণ, আমি সম্পূর্ণভাবে অভিনয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছি। পরিবারের অন্যরা কেউ প্রযোজনা করেন, কেউ পরিচালনা করেন। আমার কাকা, পিসি—প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেন। কিন্তু অভিনয়ের প্রতি আমার এতটাই ভালোবাসা যে আমি মনে করি অভিনয়ের কোনো সীমা নেই।’

পুরুষদের আবেগ

এই অনুষ্ঠানেই পুরুষদের আবেগ প্রকাশ নিয়ে কথা বলেন কারিনা, ‘আমরা অনেক সময় ভাবি, মেয়েরাই বেশি সংবেদনশীল,কিন্তু বিষয়টা আসলে তা নয়। এখন এমন অনেক পুরুষ আছেন, যাঁরা নিজেদের সংবেদনশীলতা প্রকাশ করতে দ্বিধা করেন না। কোনো মেয়ের সামনে কিংবা নিজের মায়ের সামনে কাঁদতেও তাঁরা সংকোচ বোধ করেন না। আমি আমার ছেলেদেরও সব সময় বলি, কাঁদতে ইচ্ছা করলে কাঁদবে। তোমার ভেতরে যে অনুভূতি তৈরি হচ্ছে, সেটাকে অনুভব করা এবং বোঝা জরুরি।’

কারিনা কাপুর খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

এই বলিউড অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি দুই ছেলের মা। তাই স্বাভাবিকভাবেই সব সময় একটা ভয় কাজ করে। একজন মা হিসেবে তো চাই, সন্তানদের জন্য নিজের সেরাটা করতে। তাদের নিরাপদ রাখতে চাই, একই সঙ্গে দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে চাই। তাই আমি সব সময় চাই, তারা যেন ভালো ও সহানুভূতিশীল হয়। আমার মনে হয় পুরুষদের আরও বেশি সহানুভূতিশীল হওয়া দরকার।’

আরও পড়ুন
দুই ছেলে নিয়ে কারিনা
ছবি: ইনস্ট্রাগ্রাম

কারিনার মতে, শিশুদের নিজেদের আবেগ অনুভব করতে এবং তা প্রকাশ করতে দেওয়া তাদের বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পুরুষদের মধ্যে আরও বেশি সহমর্মিতা থাকা উচিত বলেও জোর দেন তিনি।