তিনি বলেন, ‘আগে যত ছবিই আপনার রিলিজ হোক না কেন, নতুন ছবি রিলিজের দিন; অর্থাৎ শুক্রবার এক নার্ভাসনেস আপনার হবেই হবে। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর আমার অবস্থান হয় মাঝামাঝি। ছবিটি যদি সবাই পছন্দ করেন, তাহলে অতি খুশিতে লাফালাফি করি না। আর ছবিটি ঘিরে যদি ভালো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া যায়, তাহলে খুব বেশি আমি ভেঙেও পড়ি না। নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করি।’

নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন এ অভিনেত্রী। কারণ, তিনি অন্তত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর মতে, কোনো ছবি যদি না চলে, তাতে অভিনয়শিল্পীর কিছু করার নেই। কোনো ছবির ভবিষ্যৎ শিল্পীর হাতে নেই। দর্শকের হাতে একটা ছবির ভবিষ্যৎ থাকে। রাকুল বলেন, ‘আমি শুধু জানি যে সেই ছবির জন্য আমি নিজের শতভাগ দিয়েছি। অভিনেতার হাতে শুধু নিজের কাজ থাকে। আমি তা-ই করি। বাকিটা দর্শক আর ওপরওয়ালার হাতে ছেড়ে দিই।’

করোনার পর থেকে হিন্দি ছবির অবস্থা শোচনীয়। হাতে গোনা কয়েকটা ছবি কিছুটা সফলতার মুখ দেখেছে। অনেকের মতে, দর্শকের রুচিতে এখন বদল এসেছে। তবে এ কথা মানতে নারাজ রাকুল। তিনি বলেছেন, ‘দর্শকের রুচিতে বদল এসেছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, যেসব ছবি হলে চলছে না, ওটিটিতে মুক্তির পর সেগুলোই কিন্তু ভালো সাড়া পাচ্ছে। ছবি যদি বাজেই হবে, তাহলে ওটিটিতে কীভাবে চলছে। আসলে আমরা এখন “জাজ” করতে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। কোন ধরনের ছবি চলবে আর কোনটি চলবে না, এ নিয়ে প্রচুর জল্পনাকল্পনা করছি। আমি এটাও মানি না যে হিন্দি ছবি একদমই চলছে না। আমি ভুল হতেও পারি। আসলে দুই বছর কোভিডের কারণে অনেক কিছু বদলে গেছে।

ওই সময় আমাদের চিন্তা করতে হয়নি যে আগামী ছয় মাস কীভাবে চালাব। কিন্তু করোনাকালে অসংখ্য মানুষের চাকরি চলে গেছে। কারও বেতন অর্ধেক হয়ে গেছে। অর্ধেকের বেশি দুনিয়া অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে দুনিয়া স্বাভাবিক হয়েছে। কোভিডের পর এখন বেশি সংখ্যক ছবি মুক্তি পাচ্ছে। মানুষের কাছে এখন প্রতি শুক্রবার হলে গিয়ে ছবি দেখার মতো টাকা পকেটে নেই। মাসে হয়তোবা একটা ছবি দেখার কথা ভাবছেন অনেকে। এর প্রভাব সোজা বক্স অফিসে গিয়ে পড়ছে।’