ওই ঘটনায় আরিয়ানকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ করা হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনসিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা বিভাগের তদন্ত দলের কাছে সাত থেকে আট কর্মকর্তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাদের মনে হয়েছে, ঘটনাটির যথাযথ তদন্ত হয়নি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই মামলাটিতে আরিয়ানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। সেটা কেন করা হয়, তা জানা যায়নি।

শৃঙ্খলা বিভাগের প্রতিবেদনে সন্দেহজনক কর্মকর্তাদের শাস্তির সুপারিশ করা করেছে। যার মধ্যে আছেন এনসিবি মুম্বাইয়ের আঞ্চলিক পরিচালকও। প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য ৬৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে এনসিবি।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসে তদন্তকাজে গাফিলতির জন্য এনসিবি কর্মকর্তা সামির ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এ ছাড়া মামলায় আরিয়ানসহ অভিযুক্ত পাঁচজনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বছরের ২ অক্টোবর আটক হওয়ার পর বোম্বে হাইকোর্টের নির্দেশে কারাগার থেকে ছাড়া পান আরিয়ান।

ওই ঘটনা নিয়ে এখন পর্যন্ত আরিয়ান বা শাহরুখ খান মুখ খোলেননি। তবে ঘটনা নিয়ে বলেছেন আরিয়ানের মা গৌরী খান। করণ জোহরের শোতে আরিয়ানের আটক হওয়ার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘সেই সময় আমাদের নানা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বলতে পারি, সেই পরিস্থিতির থেকে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। মা-বাবা এবং অভিভাবক হিসেবে আমাদের অনেক ঝড়ঝাপটা সামলাতে হয়েছে। তবে আজ আমরা এক পরিবার হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। আবারও সেই অবস্থানে পৌঁছেছি, যেখানে সবাই আমাদের ভালোবাসে।’