লাজুক হাসি হেসে জানান, ‘একদমই নয়। প্রথম দর্শনে প্রেমে আমি বিশ্বাসী নই। বলতে পারেন, প্রথম সাক্ষাতে একে অপরকে পছন্দ করেছিলাম। ধীরে ধীরে আমাদের সম্পর্ক এগিয়েছিল। বরুণকে দেখে মনে হয়েছিল, এত দিন তারই অপেক্ষায় ছিলাম।’

default-image

কারিশমা যে টেলিভিশন দুনিয়ার এত জনপ্রিয়, সেভাবে জানতেন না বরুণ। এ প্রসঙ্গ টেনে কারিশমা বলেন, ‘আসলে বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগই ছিল না। আমার কাজের বিষয়ে বেশি কিছু সে জানত না। বরুণ দক্ষিণ ভারতের মানুষ। পুরোপুরি ব্যবসায়ী। সবাই যখন আমার কাজের প্রশংসা করে, রেস্তোরাঁ বা বাইরে কোথাও গেলে ভক্তরা ছবি তোলে, দেখে সে অবাক হতো। কাজ সম্পর্কে জানার পর আমাকে নিয়ে বরুণ রীতিমতো গর্ব বোধ করে।’

সংসার তো কয়েক মাস হলো। কেমন চলছে যৌথ জীবন? কারিশমা বলেন, ‘বিয়ের পর জীবন বদলায়নি। শুধু ঠিকানাটাই বদলেছে। বরুণ আমার কাজকে সম্মান করে। আমাকেই খুবই সহযোগিতা করে।’

default-image

‘হাস হাস’ সিরিজে কারিশমা দুঁদে পুলিশ কর্মকর্তা। চরিত্রটা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই প্রথম পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করছি। চরিত্রটা খুবই ঝাঁজালো। নিজেকে পুলিশের চরিত্রে প্রস্তুত করার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা পথেঘাটে নারী পুলিশদের লক্ষ করতাম। তাদের কথা বলার ভঙ্গি, হাঁটাচলা—এসব মন দিয়ে দেখতাম। পুলিশের চরিত্রে দিল্লি ক্রাইম-এ শেফালী শাহ, আর দৃশ্যম-এ টাবু অসাধারণ। আমি তাঁদের সিরিজ ও ছবি মন দিয়ে দেখতাম। ওটিটি ক্যারিয়ারের শুরুতে এ ধরনের চ্যালেঞ্জিং চরিত্র পেয়ে দারুণ খুশি।’

default-image

তবে ওটিটিতে কাজ শুরু করলেও টিভির কাজ ছাড়ছেন না কারিশমা, ‘টেলিভিশনের জন্যই আমার এত জনপ্রিয়তা। তাই টেলিভিশনে ভালো প্রস্তাব পেলে নিশ্চয় করব। আমি যেকোনো মাধ্যমে কাজ করতে প্রস্তুত। মাধ্যম আমার কাছে কোনো বিষয় নয়। তবে ভালো কনটেন্ট হওয়া চাই। সব সময় ভালো কনটেন্টের সন্ধানে থাকি।’

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন