বন্ধুত্ব নিয়ে এই ৫ হিন্দি সিনেমা দেখেছেন কি

বন্ধুত্ব নিয়ে দুনিয়ার নানা প্রান্তে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের সিনেমা। দশক পেরিয়ে গেলেও কোনো কোনো সিনেমার চরিত্রগুলোর কথা এখনো মনে আছে দর্শকদের। আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস উপলক্ষে হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক বন্ধুত্ব নিয়ে নির্মিত পাঁচ সিনেমার কথা। এই তালিকায় কেবল চলতি শতকের সিনেমাগুলোকেই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

দশক পেরিয়ে গেলেও কোনো কোনো সিনেমার চরিত্রগুলোর কথা এখনো মনে আছে দর্শকদের। কোলাজ

১. ‘দিল চাহতা হ্যায় (২০০১)’
ফারহান আখতারের পরিচালনায় তৈরি এই সিনেমা আমাদের শিখিয়েছে বন্ধুত্ব মানেই নিঃশর্ত ভালোবাসা। আমির খান, সাইফ আলী খান আর অক্ষয় খান্নার মধ্যকার বন্ধুত্বের টানাপোড়েন, দূরত্ব আর মিলনের গল্প এখনো অনেকে মনে করেন নিজের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। আকাশ আর সিডের দূরত্ব শেষে যখন আবার বন্ধুত্ব ফিরে আসে, মনে হয়—হয়তো পুরোনো বন্ধুকে একটা ফোন দেওয়াই যায় আজ।

‘দিল চাহতা হ্যায়’ ছবিতে অক্ষয় খান্না, সাইফ আলি খান ও আমির খান। আইএমডিবি

২. ‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’ (২০০৩)
মুন্না ও সার্কিটের পর্দায় অনবদ্য রসায়নের কথা কে না মনে রেখেছে। পর্দায় সঞ্জয় দত্ত আর আরশাদ ওয়ারসির এই অনবদ্য বন্ধুত্ব আজও বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটির একটি।

‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’-এ আরশাদ ওয়ার্সি ও সঞ্জয় দত্ত
আইএমডিবি

তাদের সংলাপ, একে-অপরের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন আর দুষ্টু-মিষ্টি রসায়ন আজও মন ছুঁয়ে যায়। ‘লাগে রহো মুন্নাভাই’ দিয়েও এই জুটি আবার ফিরেছিল, আর এখনো ভক্তরা অপেক্ষা করছে, এই দুই বন্ধুকে আবার একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখার জন্য।

৩. ‘থ্রি ইডিয়টস’ (২০০৯)
আজকের দিনে কেউ কি নিজের ব্যস্ততা ভুলে পুরোনো বন্ধুকে খুঁজে বের করতে ছুটে যায়? রাজু ও ফারহান তাই-ই করে, যখন তারা তাদের কলেজের প্রিয় বন্ধু র‍্যাঞ্চোকে খুঁজতে বের হয়। এই সিনেমা শুধু হাসায়ই না, কলেজজীবনের সেই নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বগুলো আবার মনে করিয়ে দেয়। ছবিটি বানিয়েছিলেন রাজকুমার হিরানি।

‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি

৪. ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ (২০১১)
একটা ব্যাচেলর রোড ট্রিপের গল্প, যা পরিণত হয় জীবনের গভীর উপলব্ধির যাত্রায়। হৃতিক রোশন, অভয় দেওল, ফারহান আখতার আর ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত এই ছবিতে বন্ধুত্ব, রোমান্স, কমেডি—সব আছে। ইমরান (ফারহান) তাঁর ভুল বুঝে কবীরের কাছে ক্ষমা চায়। আর কবীরও বন্ধুকে ক্ষমা করে দেয়। সেই আবেগময় মুহূর্ত আজও দর্শকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ছবিটির পরিচালক জোয়া আখতার।

এরপর ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি

৫. ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ (২০১৩)
বানী আর নাইনার প্রেমের গল্প ছিল ঠিকই, কিন্তু এই ছবির মজা ছিল আসলে বানী, আদি আর অবির বন্ধুত্বে। রনবীর কাপুর, আদিত্য রায় কাপুর আর কাল্কি কোয়েচলিন অভিনীত চরিত্রগুলো ছিল বাস্তব জীবনের মতোই—সবাই ব্যস্ত হয়ে যায় নিজের জগতে, কিন্তু বছর শেষে আবার একসঙ্গে বসে আড্ডা দেয়। ছবিটির পরিচালক অয়ন মুখার্জি।

আরও পড়ুন
ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি