default-image

দিল্লি পুলিশের বিশেষ টিমকে বিঞ্চোই জানিয়েছেন, ১৯৯৮ সালে রাজস্থানের যোধপুরে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনার পর থেকেই সালমানকে হত্যার চেষ্টায় আছেন। এ জন্য ২০১৮ সালে অভিনেতাকে হত্যার জন্য চার লাখ রুপির রাইফেল কেনেন। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ২০১৮ সালের এপ্রিলে হরিণ মারার জন্য সালমানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার দিন যোধপুরেই ছিলেন সালামান। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের বিঞ্চোই জানিয়েছেন, সালমানকে হত্যার জন্য তিনি সম্পত নেহরা নামে তাঁর এক অনুসারীকে বার্তা পাঠান।

default-image

অভিনেতাকে হত্যার মিশন নিয়ে নেহরা মুম্বাই আসেন। সালমানের বাড়ির আশপাশে থেকে অভিনেতাকে হত্যার সুযোগ খুঁজতে থাকেন। কিন্তু ঝামেলা হয়ে দাঁড়ায় অস্ত্র। এই নেহরার কাছে অস্ত্র বলতে ছিল শুধু পিস্তল। কিন্তু দূর থেকে নিশানা করে গুলি করার মতো কোনো অস্ত্র ছিল না।

default-image

এ সমস্যা সমাধানে বিষ্ণোই দিনেশ ডাগর নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে দূরপাল্লার রাইফেল অর্ডার দেন। জানা যায়, সেই রাইফেলের দাম চার লাখ রুপি। এই দাম চুকানো হয়। অনিল পাণ্ডে নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে। পরে ২০১৮ সালেই ডাগরের কাছ থেকে সেই রাইফেল উদ্ধার করা হয়। এদিকে চলতি মাসের ৬ তারিখ মৃত্যুর হুমকি পাওয়ার কথা জানান, হরিণ হত্যা মামলায় সালমানের আইনজীবী হাসতি মাল সরশ্বত।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন