অমিতাভের চিঠির অপেক্ষায়

আকাঙ্ক্ষা সিং

অভিনয়জগতে আকাঙ্ক্ষার প্রথম সোপান ছিল মঞ্চ। এরপর টেলিভিশন, ওটিটিতে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। ‘বদ্রীনাথ কি দুলহনিয়া’ ছবি দিয়ে ফিল্মি ক্যারিয়ার শুরু। এরপর তামিল, তেলেগু, কন্নড় ছবিতেও দেখা গেছে তাঁকে। বলিউডের এই তরুণ অভিনেত্রীকে সম্প্রতি অজয় দেবগন এবং অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ছবি ‘রানওয়ে থার্টিফোর’-এ দেখা গেছে। এই দুই তারকার সান্নিধ্যে মুগ্ধ আকাঙ্ক্ষা সিং।
‘রানওয়ে থার্টি ফোর’ ছবিতে অজয় দেবগণের স্ত্রীর চরিত্রে দেখা গেছে আকাঙ্ক্ষাকে। এই ছবির শুটিংয়ের সময় আহত হয়েছিলেন তিনি।

অমিতাভ ও আকাঙ্ক্ষা সিং
কোলাজ

সে সময় অজয় আর অমিতাভ বচ্চনের মতো তারকার সঙ্গে তাঁর কাজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘এ সময় অজয় স্যার আর অমিতাভ বচ্চন আমাকে বাড়ির সদস্যের মতো আগলে রেখেছিলেন। এক দিন অমিতাভ স্যার দেখলেন যে আমার পায়ে প্লাস্টারে হিজিবিজি অনেক কিছু লেখা। তিনিও তার ওপর “টুটি ফ্রুটি” লিখে দেন। বিষয়টা আমাকে ছুঁয়ে যায়। শুরুতে ভেবেছিলাম, আমি অমিতাভ স্যারের নজরে পড়িনি। কিন্তু তিনি নিজে এসে আমায় এক প্যাকেট বিস্কুট দেন। আমাকে হুইলচেয়ারে দেখে তিনি নানাভাবে আমার যত্ন নেন। আমি তাঁকে একটা চিঠি লিখেছিলাম।

আকাঙ্ক্ষা সিং

অমিতাভ স্যারও আমাকে একটা চিঠি লিখে বলেছিলেন, “এখন আমি আপনাকে শুধুই স্নেহ দিচ্ছি। আপনি যখন ভালো কাজ করবেন, আপনাকে তখন আরেকটা চিঠি লিখব।”

অজয় দেবগন অভিনীত ছবি ‘রানওয়ে থার্টিফোর’-এ দেখা গেছে আকাঙ্ক্ষা

আমি এখন সেই চিঠির অপেক্ষায় আছি, অমিতাভ স্যার যখন আমার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে আমায় চিঠি লিখবেন। অমিতাভ বচ্চনের মতো তারকার কাছ থেকে এমন সুন্দর ব্যবহার পেয়েছি, এটা আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার ছিল।’ তিনি বিগ বি সম্পর্কে আরও বলেন, ‘আজও অমিতাভ স্যার কাজের প্রতি এতটা নিবেদিত, তা দেখে অবাক হয়েছিলাম। তিনি এখনো প্রচুর পরিশ্রম করেন, তাঁকে দেখে মনে হয় নবাগত কোনো অভিনেতা।’

আকাঙ্ক্ষা সিং

অজয় সম্পর্কে আকাঙ্ক্ষা বলেন, ‘অজয় স্যার অনেক কম কথার মানুষ। কিন্তু তিনি জানেন যে একজন পরিচালক হিসেবে অভিনেতাদের কাছ থেকে কী চাই। তিনি অভিনেতাদের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। যার ফলে আমরা যা চাই, তা-ই করতে পারি। আমরা যেন আমাদের চরিত্রকে সেরাটা দিতে পারি।’

আকাঙ্ক্ষা সিং