বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে ‘সাতাঁও’। গণ-অর্থায়নে নির্মিত সিনেমাটি ২৭ জানুয়ারি দেশের সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুন পুতুল ও ফজলুল হক। পরিচালনার পাশাপাশি সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন খন্দকার সুমন।

এশিয়ান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা নির্মাতা হয়েছেন ইরানি সিনেমা ‘লাইফ অ্যান্ড লাইফ’-এর পরিচালক আলী ঘাভিতান ভারতের অপরাজিত সিনেমার জন্য সেরা চিত্রনাট্যকার হয়েছেন অনিক দত্ত, সেরা অভিনেতা হয়েছেন জাপানের ‘ম্যারেজ কাউন্সেলর’ সিনেমার ইক্কেই ওয়াতানাবে, সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন ভারতের প্রপেদার অভিনেত্রী কেতকী নারায়ণ। সেরা চিত্রগ্রাহক হয়েছেন রাশিয়ার ‘দ্য রায়ট’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আর্টিওম আনিসিমভ।

বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে কাজী আরেফিন আহমেদের ‘কুড ইউ বি ফ্রি ইয়েট লকড ইন’, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে প্রথম রানারআপ হয়েছে জয়তু সুশীল জিকুর ‘হাঘরে’, দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছে মৃত্তিকা রাশেদের ‘কৃষ্ণপক্ষ’।

শ্রেষ্ঠ শিশু চলচ্চিত্র বাদল রহমান পুরস্কার পেয়েছে চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া ও জার্মানির সিনেমা ‘মার্টিন অ্যান্ড দ্য ম্যাজিক্যাল ফরেস্ট’।
স্পিরিচুয়াল ফিল্ম বিভাগে সেরা তথ্যচিত্র হয়েছে রাশিয়ার ‘মহাত্মা হাফকাইন’, সেরা ফিচার ফিল্ম বাংলাদেশের ‘ঘরে ফেরা’।

নারী নির্মাতা বিভাগে সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে শ্রীলঙ্কার তথ্যচিত্র ‘আওয়ার মাদার, গ্র্যান্ডমাদার, প্রাইম মিনিস্টার: সিরিমাভো’। সেরা পরিচালক হয়েছেন জার্মানির চলচ্চিত্র অ্যালে উলেন গেলিয়েবট ওয়ের্ডেন-এর নির্মাতা ক্যাথেরিনা ওল। সেরা ফিচার সিনেমা হয়েছে ‘অ্যাকাউসে মি’।

বিশেষ দর্শক পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের জেকে ১৯৭১ ও দর্শক পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের আরেক আলোচিত সিনেমা হাওয়া।
১৪ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় ৯ দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে রেইনবো ফিল্ম সোসাইটি। এতে ৭১টি দেশের ২৫২টি সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। গতকাল সমাপনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও উৎসবের পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল।