বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বডি শেমিং একটি স্টাইল হয়ে গেছে। কিছু না কিছু বলতেই হবে। ঘরে ঘরে প্রচুর সার্টিফিকেট আছে কিন্তু শিক্ষাটা মগজে নেই। একটু ভালো আচরণ একজন মানুষের ভাবমূর্তি যে কতটা পরিবর্তন করে দিতে পারে, সেসব তাঁদের জানা নেই।’

default-image

কবে থেকে বডি শেমিংয়ের শিকার জানতে চাইলে কোনো দেরি না করে প্রসূন বলেন, ‘বুঝতে শেখার পর থেকেই শরীর নিয়ে কথা শুনছি। “কালো”, “শুকনো”, “মোটা” শব্দের সঙ্গে ছোট থেকেই পরিচিত। আগে উত্তর দিতাম। এখন কিছু বলি না। আর এটা হয়তো বাংলাদেশ বলেই সম্ভব। অন্য দেশ হলে কেস করে দিতাম।’ তবে প্রসূন আশাবাদী, ‘হয়তো এই বডি শেমিং শেষ হবে। আমাদের সন্তান, শিক্ষিত প্রজন্ম ভবিষ্যতে হয়তো মানুষকে মূল্যায়ন ও সম্মান করতে শিখবে।’
প্রসূন আজাদের সর্বশেষ ছবি ‘পদ্মাপুরাণ’। কাজের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানালেন, সামনে সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন। তবে শুটিং শুরু করেই তিনি জানাতে চান।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন