default-image

তবে তরুণ এই অভিনেতা তারিক আনামকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেন ‘মৃধা বনাম মৃধা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়। তত দিনে সিয়াম অভিনয়টা কিছুটা বুঝতে শিখেছেন। স্ক্রিপ্ট রিডিংয়ের সময় থেকেই প্রতিদিন তাঁদের সম্পর্কটা একটু একটু করে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। শুটিং সেটে তারিক আনাম ছিলেন সিয়ামের শিক্ষক। সিয়াম বলেন, ‘আমার অভিনয়ের এ বি সি ডি অনেক কিছুই তাঁর কাছে শিখেছি। টিমের জন্য কীভাবে নিজের সর্বোচ্চটা ঢেলে দিয়ে কাজ করা যায়, কীভাবে টিমকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি আমি শিখেছি তাঁর কাছে। শুটিংয়ের সেটে ওনার থাকা মানেই একজন অভিভাবকের উপস্থিত থাকা, এই বিষয়টা আমি বারবার অনুভব করেছি।’

সিনেমায় সিয়াম আহমেদের নাম ছিল আশফাক মৃধা। গল্পে তাঁর বাবার ভূমিকায় আশরাফ মৃধার চরিত্রে ছিলেন তারিক আনাম খান। সিয়াম বলেন, ‘সিনেমার শুটিং শেষ হতেই তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা একটা অন্য জায়গায় চলে গেল। অন্যভাবে আমি তাঁকে চিনতে শুরু করলাম। উনি যখন আমাকে ফোন দেন বা সামনাসামনি কিছু বলেন, একটা অধিকারবোধ নিয়ে তিনি সেটা বলেন। কারণ, আমি তাঁর ছেলে। তাঁর সেই ছোট আশফাক মৃধা। আমি যখন ওনাকে কিছু একটা বলি, তখনো আমার মাথায় থাকে যে উনি আশরাফ মৃধা, উনি আমার বাবা। এই সম্পর্কটা অনেক সুন্দর, অনেক মধুর।’

default-image

দেশের গুণী অভিনেতাদের অন্যতম তারিক আনাম খান। তাঁর সান্নিধ্য পাওয়া ভাগ্য বলে মনে করেন সিয়াম। তাঁর কাছে একজন গুণী অভিনেতাই নন তারিক আনাম খান, তিনি একজন ভালো পর্যবেক্ষক। সিয়াম লিখেছেন, ‘তারিক স্যারের মতো শিল্পী আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেই বিরল। খুবই ক্ষণজন্মা একজন শিল্পী তিনি, যিনি কিনা একই সঙ্গে নিজের অভিনয় ও টিমের পারফরম্যান্স—দুটোর দিকেই খেয়াল রাখেন এবং দুটোকেই ওপরের দিকে টেনে তোলেন। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে শুভকামনা জানানো তো খুবই সাধারণ বিষয়। তবে মন থেকে তাঁর জন্য প্রার্থনা, মন থেকে তাঁর জন্য ভালোবাসা। তারিক স্যারের মতো একজন আর্টিস্টের সান্নিধ্য পেয়ে, তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে এবং তাঁর সঙ্গে যে সম্পর্কটা এখন আমি শেয়ার করি, সে জন্য সব সময় আমি গর্বিত। আমরা তাঁকে মন থেকে ভালোবাসি। শুভ জন্মদিন, তারিক স্যার।’

default-image

তাঁদের অভিনীত ‘মৃধা বনাম মৃধা’ সিনেমাটি টফি অ্যাপে মুক্তি পেয়েছে। সিনেমাটি বিনা মূল্যে দেখা যাবে। সিয়াম বলেন, ‘তারিক স্যার কতটা অসাধারণ অভিনেতা, সেটা তিনি “মৃধা বনাম মৃধা”য় আবারও প্রমাণ করেছেন। বাবা-ছেলের গল্প নিয়ে সিনেমা। যাঁরা বাবাকে ভালোবাসেন কিন্তু বলতে পারেন না, যেসব বাবা তাঁদের স্নেহের কথা সন্তানের সামনে প্রকাশ করতে দ্বিধা বোধ করেন কিংবা যাঁরা নতুন বাবা হয়েছেন, তাঁদের খুব ভালো লাগবে সিনেমাটি। সব প্রজন্মের, সব ধরনের দর্শকের জন্য এই সিনেমা, আমাদের খুব পছন্দের একটি কাজ। তারিক স্যারের জন্মদিন উপলক্ষে সবাই দেখে নিতে পারেন এই সিনেমা।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন