অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর নতুন কোনো সিনেমায় আর কাজ করেননি। তবে যাওয়ার আগে চারটি ছবির শুটিং শেষ করে গেছেন। ‘গিরগিটি’ নামে একটি ছবির শুটিং বাকি আছে। তবে সেখানে বসেই শুটিং শেষ করা ‘শান’ ছবির ডাবিং শেষ করেছেন তিনি।

default-image

এদিকে শুটিং শেষ হলেও ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘মিশন এক্সট্রিম ২, ‘ক্যাসিনো’ ছবিতে তাসকিনের অংশের ডাবিং বাকি আছে। তিনি বলেন, ‘শান’ ছবিরও ডাবিং বাকি ছিল। অস্ট্রেলিয়ায় বসেই ডাবিং শেষ করেছি। যদি জরুরি দরকার হয়, তাহলে বাকি ছবিগুলোও এখানে বসেই ডাবিং করে দিতে পারব। কারণ, এখনই বাংলাদেশে যেতে পারছি না। গত জানুয়ারি মাসে ‘ক্যাসিনো’ ছবির পরিচালক সৈকত নাসির যোগাযোগ করেছিলেন ডাবিং শেষ করতে। কিন্তু পরে আর যোগাযোগ করেননি।’

তাসকিন জানান, দেশে আসতে আরও তিন-চার মাস লাগতে পারে। বলেন, অস্ত্রাপচার করার পরও তো বিশ্রাম নিতে হবে। এ জন্য সময়টা লাগবে।

default-image

কীভাবে সময় কাটছে সেখানে? জানতে চাইলে তাসকিন জানান, বিশ্রাম নিচ্ছেন। পাশাপাশি গবেষণার কিছু কাজ করছেন তিনি। বলেন, ‘আগে থেকেই পিএইচডি করছি। এটি বিরতি দিয়েও করা যায়। মাঝখানে বছর দেড়েক শুটিংয়ের কারণে বাংলাদেশে ব্যস্ত ছিলাম। এ জন্য বন্ধ ছিল। এখন যেহেতু অস্ট্রেলিয়ায় আছি। তাই গবেষণার কাজটি একটু এগিয়ে রাখছি।’

default-image

‘প্রায় দেড় বছর ওখানে আছেন, বাংলাদেশ থেকে বা অস্ট্রেলিয়ায় কোনো কাজের প্রস্তাব পাচ্ছেন কি না?’ এ ব্যাপারে তাসকিন জানান, ঢাকা থেকে একটি বড় বাজেটের সায়েন্স ফিকশন সিনেমার কাজের প্রস্তাব ছিল। সেখানে বলিউডের নাসিরুদ্দীন শাহও অভিনয় করবেন। তাসকিন বলেন, ‘ছবির গল্প পেয়েছি। মে মাসে শুটিংয়ের শিডিউল চেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু মে মাসে শিডিউল দিতে পারব কি না, বুঝতে পারছি না। তাই কাজটি করার এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় শাবনূরের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন