বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আপনারা তো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের পর থেকে কথা বলতেন না। কীভাবে কথা হলো? ‘সেটা ভিন্ন বিষয়। সিনেমাটির পরিচালক ফোনে তাঁদের ধরিয়ে দিয়েছেন। এর মানে এই না, আমি ফোন দিতাম না। সিনেমার স্বার্থে আমরা সবাই এক। সিনেমার পরিচালক একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তিনি গল্প নিয়ে আমাদের কথা বলিয়ে দিয়েছেন, এটা আমার কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সিনেমার গল্প, আঙ্গিক, অভিনয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। এই সময় সানী ভাই, মৌসুমী আপা আমাকে কিছু উপদেশ দিলেন। এগুলো খুবই ভালো লাগল। কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পেলাম। অনেক দিন পর বড় পর্দায় অভিনয় করছি। ঠিকঠাক কাজের দিকেই মনোযোগ,’ বলেন জায়েদ খান।

default-image

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে এই তিন অভিনয়শিল্পীর মধ্যে কিছুটা মনোমালিন্য হয়েছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেও খবর এসেছে। এটা আর মনে রাখতে চান না জায়েদ, ‘শিল্পীদের স্বার্থ এক কথা, পর্দায় সামনে দাঁড়ানো আরেক কথা। আমাদের মধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যা কিছু হয়েছে, সেটা অনেকেই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁরা আমার সিনিয়র, তাঁদের আমি সব সময় সম্মান করি।

তাঁরা অভিভাবক হিসেবে আমার মতো জুনিয়রকে দুই কথা বলতেই পারেন। সেটা তখনই শেষ। এখন কীভাবে সিনেমাটি ভালো করা যায়, সেই চেষ্টায় আছি। দেড় বছর ধরে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা ভালো নয়। এখন আমাদের ভালো সিনেমা দরকার।’
‘সোনার চর’ সিনেমা দিয়ে প্রায় দুই বছর পরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াচ্ছেন জায়েদ খান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন