দ্বিতীয় কিস্তির গল্প সম্পর্কে এই নির্মাতা জানান ‘ইতিহাস’ ছবির শেষে দেখা যায় মারুফকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। দ্বিতীয় কিস্তির গল্পের শুরুতে ত্রিশ বছর জেল দেখানো হবে। মাফ পেয়ে ২০ বছরের জেল খেটে বের হচ্ছে মারুফ। তবে ‘ইতিহাস’ ছবির শেষের দিকের দু-একটি দৃশ্যের কিছু অংশ দেখিয়ে ‘ইতিহাস ২’–এর গল্পের যাত্রা শুরু হবে। বলতে পারেন ‘ইতিহাস’-এর শেষ থেকে ‘ইতিহাস ২’–এর গল্প শুরু হবে। তিনি আরও জানান ২০ বছর পর জেল থেকে বের হয়ে মারুফ দেখবেন, তাঁর বাবা মৃত এবং বোন আমেরিকায় চলে গেছে। প্রেমিকা খুশি অন্য জায়গায় বিয়ে করে সন্তানের মা হয়েছে।

কাজী হায়াত বলেন, ‘২০ বছর পরের গল্পে মারুফকে তাঁর বর্তমান চেহারা ও লুকে বেশ মানাবে। আমার কাছে মনে হয়েছে “ইতিহাস” তৈরির ২০ বছর পর মারুফকে নিয়ে সিকুয়েলটি ঠিক সময়েই তৈরি করতে যাচ্ছি আমরা।’

কবে থেকে শুটিং শুরু করবেন? —জানতে চাইলে এই পরিচালক বলেন, ‘মারুফ দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় থাকে। জুনে বাংলাদেশে আসবে। তার আগেই চিত্রনাট্য লেখার কাজ শেষে হবে। এর মধ্যে শুটিংয়ের সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারব। মারুফ আসার পর তার চরিত্র ও লুক নিয়ে কিছুদিন কাজ করব। আশা করছি জুলাই থেকে শুটিং শুরু করতে পারব।’

‘ইতিহাস’ ছবিতে মারুফের প্রেমিকা ছিলেন রত্না। চরিত্রের নাম ছিল খুশি। দ্বিতীয় কিস্তিতে নায়িকা চরিত্রের কোনো পরিবর্তন আসবে কি না—এ ব্যাপারে পরিচালক বলেন, ‘ইতিহাস ২’-এও মৌসুমী থাকবেন। কারণ, সিকুয়েলে মারুফ জেল থেকে বেরিয়ে খুশির কাছে যাবে। মৌসুমীর বয়সটাও বোনের চরিত্রে বেশ মানাবে। তবে সিকুয়েলে নতুন একজন নায়িকা থাকবে। পরীমনিকে নেওয়ার ইচ্ছা। গল্পে পরীমনি একজন ক্লাব ড্যান্সার। এখন যদি পরীমনি কাজটি করতে রাজি থাকেন, তাঁর অংশের শুটিংয়ের জন্য অপেক্ষা করব।’

এ সময়ে এসে ‘ইতিহাস ২’ দর্শকের কাছে আরেকটি ইতিহাস গড়তে পারবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী হায়াত বলেন, ‘প্রত্যাশা আছে, কারণ, বর্তমান সময়ে ভালো ছবি দেখতে চান মানুষ। তা ছাড়া আমি নানা জায়গায় যখন যাই, অনেকেই আরেকটি “আম্মাজান” কিংবা আরেকটি “ইতিহাস” নির্মাণ করতে অনুরোধ করেন। তাঁরা এসব গল্পের ছবি দেখতে চান। সুতরাং কাস্টিং ঠিকঠাকমতো নিতে পারলে, আরেকটি “ইতিহাস” হবে।’ ‘ইতিহাস ২’ ছবিরও চিত্রনাট্য লিখছেন কাজী হায়াত।