তামান্না এখন সুইডেনের স্টকহোমে থাকেন। সর্বশেষ ২০১৪ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন। কয়েক বছর ধরে পরিবার থেকে বিয়ের জন্য তামান্নাকে চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু তামান্না সম্মত হচ্ছিলেন না।

default-image

অবশেষে ভাই–ভাবি ও পরিবারের অন্যরা মিলে তাঁকে বিয়েতে রাজি করান। তামান্না বলেন, ‘দাইয়া আমাকে খুব ভালোভাবে বোঝে, মানুষ হিসেবে আমার প্রতি ভীষণ যত্নশীল, আমার পরিবারের সবার প্রতি ভীষণ শ্রদ্ধাশীল। এমন মানুষকে জীবনঙ্গী করতে পেরে তাই ভালো লেগেছে।’

দুই বছর ধরে তামান্না ও দাইয়ার পরিচয়। দাইয়া শুরু থেকেই ভালোবাসা প্রকাশ করলেও সময় চেয়েছিলেন তামান্না। গেল নভেম্বরে তামান্নাও তাঁর ভালোবাসার কথা দাইয়াকে জানান। তারপর দুই পরিবারের সদস্যরা মিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে নেন বলে জানান তামান্না। মায়ের সঙ্গেও দাইয়ার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন তামান্না। মা আর নেই কিন্তু মায়ের পছন্দের সেই পাত্রকেই বিয়ে করেছেন তিনি।

default-image

তামান্না বলেন, ‘সুন্দর মনের একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে ভালো লাগছে। দাইয়া মানুষ হিসেবে যে ভালো মনের, তা গত দুই বছরে পদে পদে উপলব্ধি করছি। আজ আম্মা বেঁচে থাকলে হয়তো খুব খুশি হতেন। আমার বিশ্বাস, দাইয়ার সঙ্গে বাকি জীবন সুখেশান্তিতে কাটাতে পারব ইনশা আল্লাহ। সবার কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেন আমাদের সুস্থ রাখেন, ভালো রাখেন।’

১৯৯৮ সালের ১৫ মে শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘ভন্ড’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক তামান্নার। প্রথম সিনেমা মুক্তির পরই তামান্নার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। ২০০৩ সাল পর্যন্ত একে একে মুক্তি পায় ‘হৃদয়ে লেখা নাম’, ‘তুমি আমার ভালোবাসা’, ‘শত্রু তুমি বন্ধু তুমি’, ‘কঠিন শাস্তি’, ‘সন্ত্রাসী বন্ধু’, ‘আমার প্রতিজ্ঞা’, ‘মুখোশধারী’।

default-image

তারপর সুইডেনে চলে যান তামান্না। ২০১৩ সালে মঈন বিশ্বাসের ‘পাগল তোর জন্য’ সিনেমায় তাঁর শেষ অভিনয়।
তামান্না জানান, স্বামীকে নিয়ে আগামী বছর কানাডায় মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার ইচ্ছা আছে। কানাডার ঘোরাঘুরি শেষে বাংলাদেশে আসার ইচ্ছাও রয়েছে।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন