বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথম সিনেমার গল্পে এক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুরহস্যের তদন্ত করবেন পুলিশের একজন গোয়েন্দা, মাসুদ মুন্সি। চরিত্রটি চিত্রায়ণ করবেন চঞ্চল। নিহত কর্মকর্তার স্ত্রী সুরাইয়ার চরিত্রে দেখা যাবে পূর্ণিমাকে। এ নিয়ে রোমাঞ্চিত পূর্ণিমা বলেন, ‘এ রকম নতুন কিছুর জন্যই আমরা অধীর হয়ে বসে থাকি। সব সময়ই চেয়েছি জীবনে নতুন কিছুর যোগ হোক, মানুষ আমাকে নতুন রূপে দেখুক। এ ধরনের গল্প আমার কাছে আগে কখনোই আসেনি। আমার সুযোগ হয়েছে দুটো চরিত্র থেকে একটি বেছে নেওয়ার। ফলে কাজটি করতে পারছি ভেবে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’

কেক কাটা শেষে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘চলচ্চিত্রটির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি খুব খুশি। আমার বিশ্বাস, যে চমৎকার গল্প নিয়ে চরকি কাজটি করছে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের নিজস্ব গল্প হিসেবে ওয়েবে এটি স্বাতন্ত্র্য কাজ হবে। আশা করছি, দর্শকদের সামনে আরও একটি ভালো চরিত্রে হাজির হতে পারব।’ অমিতাভের সঙ্গে কাজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে চঞ্চল বলেন, ‘তিনি বড় একজন নির্মাতা। ‘আয়নাবাজি’, বেশ কিছু টিভিসি ও ফিকশনে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছি। তাঁর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস আছে। আশা করছি ভালো কিছু হবে।’

default-image

নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী বলেন, ‘এটা নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন। বাংলাদেশে আগে নিজেদের গোয়েন্দা গল্প ভিজ্যুয়াল হয়নি, এটাই প্রথম। গত দুই বছর এর জন্যই আমরা অপেক্ষা করে আছি। আমার প্রত্যাশা, প্রথম ছবির পর সিরিজের দ্বিতীয় ছবিটা বানানো।’ চরকির প্রধান নির্বাহী রেদওয়ান রনি বলেন, ‘এটা আমাদের একটা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর প্রকল্প এবং চরকির দর্শকদের জন্য চমক। আমরা আগেও বলেছি, আমাদের দর্শকদের জন্য ১২ মাসে ১২টি ওয়েবফিল্ম দেব। এটা সেগুলোর একটা। চমক অব্যাহত থাকবে।’

কথাসাহিত্যিক শিবব্রত বর্মনের উপন্যাস ‘মৃতেরাও কথা বলে’ অবলম্বনে মুন্সিগিরির চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসিফ আমিন। চঞ্চল চৌধুরী ও পূর্ণিমা ছাড়াও এতে অভিনয় করবেন আরও বেশ কজন তারকা অভিনয়শিল্পী। এখনই তাঁদের নাম প্রকাশ করে চমক ভাঙতে চাননি নির্মাতা। শিগগিরই শুরু হবে এর শুটিং। এ বছরই চরকিতে মুক্তি পাবে ছবিটি।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন