বিজ্ঞাপন
default-image

অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি থাকলেও এ টি এম শামসুজ্জামান একাধারে পরিচালক, কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার। অভিনয়ের জন্য আজীবন সম্মাননাসহ তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ছয়বার। ১৯৮৭ সালের ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা শাখায়, ১৯৯৯ সালের ‘ম্যাডাম ফুলি’, ২০০১ সালের ‘চুড়িওয়ালা’ ও ২০০৯ সালে ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা শাখায় এবং ২০১২ সালে ‘চোরাবালি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হন। এ ছাড়া ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সময় তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

default-image

চলচ্চিত্রজীবনের শুরুতে ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন এ টি এম শামসুজ্জামান। প্রথমবার কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘জলছবি’ ছবির জন্য। এ ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন তিনি। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন ১৯৬৫ সালে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন। বহু সিনেমার পাশাপাশি বেশ কিছু টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা। সেসবের মধ্যে রয়েছে ‘রঙের মানুষ’, ‘ভবের হাট’, ‘ঘর কুটুম’, ‘বউ চুরি’, ‘নোয়াশাল’, ‘শতবর্ষে দাদাজান’ ইত্যাদি।

২০১২ সালের ১৩ মার্চ এ টি এম শামসুজ্জামানের ছোট ছেলে এ টি এম খলিকুজ্জামান কুশল বড় ভাই এ টি এম কামালুজ্জামান কবিরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। ঘটনার পর এ টি এম শামসুজ্জামান নিজেই ছেলে কুশলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। হত্যার অভিযোগে এ টি এম খলিকুজ্জামান কুশলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন