বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আসলেই কি কথাটা সত্য? এই তো কদিন আগের কথা। অন্তরাত্মা নামের একটি সিনেমার শুটিং হয়ে গেল পাবনায়। সেখানে অভিনয় করেছেন ঢালিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান, সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নায়িকা দর্শনা বণিক। এর আগেও শাকিব খানের সঙ্গে সত্ত্বা ছবিতে কাজ করতে ঢাকায় এসেছেন পাওলি দাম, ক্যাপ্টেন খান ছবিতে পায়েল মুখোপাধ্যায় এসেছিলেন। এভাবে যদি একদিন ছবিতে তাহসানের সঙ্গে কাজ করতে এসেছিলেন শ্রাবন্তী; ভয়ংকর সুন্দর, হলুদ বনি, ভুবন মাঝি ছবিগুলোয় কাজ করতে এসেছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, হৃদয় জুড়ে ছবিতে প্রিয়াঙ্কা সরকার, মনে রেখ ছবিতে বনি সেনগুপ্ত। শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই ঢাকায় কাজ করতে আসছেন কলকাতার কৌশানী মুখার্জি, খরাজ মুখোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্ত।

default-image

সর্বশেষ ঢাকার একটি সিনেমার গল্প ছবিতে অভিনয় করতে এসেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এক কাপ চা, রাঙা বউ, জ্যাম, গাঙচিলসহ ঢাকার অনেক ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ঢাকাকে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। সে কারণেই বারবার তিনি ঢাকায় আসেন কাজ করতে। তা ছাড়া ঢাকার আতিথেয়তায় তিনি একে নিজের ঘরবাড়িই মনে করেন। এ ছাড়া মিঠুন চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রজতাভ দত্তরাও ঢাকায় বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন।

default-image

কেবল সিনেমাই নয়, কলকাতার সংগীতাঙ্গনের শিল্পী–কলাকুশলীদের জন্য ঢাকা এক ভালোবাসার জায়গা। বাপ্পী লাহিড়ী, নচিকেতা, সুমন, অঞ্জন, শান, কুমার শানু, সোনু নিগম, হৈমন্তী শুক্লা, শ্রেয়া ঘোষাল, ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়, মোনালি ঠাকুর, সুনিধি চৌহান, অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তীসহ বহু শিল্পীকে ঢাকা সাদরে বুকে টেনে নিয়েছে, প্রাণ ভরে শুনেছে তাঁদের গান। এ ছাড়া ঢাকার সিনেমার সংগীতের বেশির ভাগ কাজ কলকাতায় বসে করেন সেখানকার কলাকুশলীরা।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে বারবার ঢাকায় ছুটে এসেছেন সেখানকার শিল্পীরা। বাংলা ভাষার প্রাণকেন্দ্র ঢাকায় তাঁরা নেচে-গেয়ে-অভিনয় করে বিনোদিত করেছেন বাংলাভাষী মানুষদের। সেই ধারা এখনো বহমান। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সংগীত ও অভিনয় অঙ্গনের শিল্পীদের প্রিয় জায়গা যেন ঢাকা।

default-image

গত ১০ বছরে সেটা হয়ে উঠেছে প্রিয়তর। আর এটাই স্বাভাবিক। শিল্প কখনোই কাঁটাতার মানে না। শিল্পের বিনিময় নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এ প্রবণতা লক্ষ করা যায়, বিশেষ করে একই ভাষাভাষী শিল্পীদের যৌথ কাজে সিনেমাপ্রেমীদের বাড়তি কিছু প্রাপ্তি যোগ হয় বলেও মনে করেন অনেকে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইংরেজি ভাষাভাষী দেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি লক্ষ করা যায়। টানা বেশ কয়েক বছর কলকাতার ছবিতে কাজ করছেন বাংলাদেশের জয়া আহসান।

সম্প্রতি প্রশংসিত হয়েছে আজমেরি হক বাঁধনের একটি সিরিজ। সেখানে কাজ শুরু করেছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। অতীতে শাকিব খান, ফেরদৌসরাও বিভিন্ন সময় কলকাতার সিনেমায় কাজ করেছেন। এতে একদিক থেকে সমৃদ্ধ হয়েছে স্থানীয় সিনেমা এবং বৈচিত্র্য এসেছে দর্শকের রুচিতে।

default-image

সবকিছুর পরও দুটি বিষয় নিয়ে প্রায়ই শঙ্কিত হতে দেখা যায় দুটি পক্ষকে। অনেক ক্ষেত্রে ভ্রমণ ভিসায় এক দেশ থেকে আরেক দেশে গিয়ে কাজ করায় কর বঞ্চিত হয় দেশটির সরকার। অন্যদিকে শিল্পীদের মধ্যে কাজ করে বাজার দখল হয়ে যাওয়ার ভয়, যেটা অত্যন্ত অমূলক।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন