বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জায়েদ খানের ব্যাপারে বাপ্পারাজ বলেন, ‘ও কিছু করুক না করুক, প্রতি সপ্তাহে তো অন্তত দোয়া মাহফিল করেছে। সিনিয়র শিল্পী যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের নানাভাবে স্মরণ করছে। ব্যক্তিগতভাবে সে কী করছে না করছে, তা আমার জানার দরকার নেই। তাই আমি সবাইকে বলছি, ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেবকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করতে আর জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক—এটা আমার ব্যক্তিগত চাওয়াও বলতে পারেন।’

default-image

কবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিলেন জানতে চাইলে বাপ্পারাজ বললেন, ‘১ জানুয়ারি জায়েদ খান আমার বাসায় আসে। বলল, “আপনাকে আমাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে হবে।” বললাম, আমি তো নির্বাচন করব না। জায়েদ বলল, “আপনি করার দরকার নেই। গতবারও তো করেননি। শুধু আমাদের প্যানেলের সঙ্গে আছেন, এই সই করে দেন। পাস করা না করাটা পরের ব্যাপার।” আমিও ভাবলাম, অসুবিধা কী। আমি তো এখনকার কমিটিতেও আছি, কিন্তু কোনো মিটিংয়ে অ্যাটেন্ড করিনি। আমাকে শোকজও দেয় না, কিছু বলেও না।’

default-image

কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ প্রকৃত শিল্পীরা শিল্পী সমিতিতে না আসার কারণে আজ এই অবস্থা। আপনাদের সবার সামনে আসা উচিত। এমন কথায় বাপ্পারাজ বলেন, ‘এখন তো যাঁরা আছেন, তাঁদের নিজেদের কোনো ইজ্জত নেই, অন্য কাউকে তো তাঁরা ইজ্জত-সম্মান দিতে পারেন না। খামাখা এই ধরনের লোকের সামনে গিয়ে নিজের ইজ্জত খোয়ানোর কোনো মানে হয় না! কারণ, এই ইজ্জত কামাতে আমার তো ৩৫টি বছর লেগেছে।’

default-image

তাহলে শিল্পীদের ইজ্জত–সম্মান ফিরিয়ে আনতে বা বজায় রাখতে কী করা দরকার বলে মনে করছেন আপনি? ‘এ জন্যই কাঞ্চন সাহেবকে দরকার। যাঁর ইজ্জত আছে, যিনি অন্যকে ইজ্জত দিতে পারেন, তাঁকেই তো দরকার। তাই আমি মনে করি, শিল্পীদের ইজ্জত–সম্মান ফেরাতে ইলিয়াস কাঞ্চনকে সভাপতি করা দরকার। বর্তমান কমিটির সভাপতি যদি একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে তাঁর কলিগদের ইজ্জত-সম্মান দিয়ে কথা বলতে না পারেন, কলিগকে হিউমিলিয়েট করেন—তাঁর তো সভাপতি পদে থাকার কোনো অধিকারই নেই। খামোখা জায়েদ খান জোর করে মিশাকে বানিয়েছেন। চান্সেও মিশা হয়ে গেছে। মিশার তো সভাপতি হওয়ার কোনো যোগ্যতা নেই। সভাপতি হতে তো মিনিমাম কিছু যোগ্যতা লাগে, স্ট্যান্ডার্ড লাগে। জায়েদ খানও এখন ব্যাপারটা বুঝছে,’ বললেন বাপ্পারাজ।

default-image
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন