বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সিনেমাটির নির্মাতা নুহাশ বলেন, ‘আমি তো এখনো ফিল্মটি বানাইনি। আমার আগের কাজ, এই সিনেমার চিত্রনাট্য দেখে ফান্ড এবং নির্মাণের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি। কিন্তু সিনেমাটি নিয়ে দেশে কোনো অনুদান বা ফাইন্যান্সার পাইনি, যা পেয়েছি গ্লোবালি। এই অভিজ্ঞতা আমার কাছে খুবই ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। দেশ থেকে টাকা না পেলেও বিদেশের টাকা দিয়ে বাংলা সিনেমা বানানো যাচ্ছে। এশিয়া, ইউরোপে আরও অনেক ফান্ড আছে। এই জায়গাগুলো এক্সপ্লোর করা উচিত। বাইরের সুযোগগুলো নেওয়া উচিত।’

default-image

সিনেমাটির প্রযোজক আরিফুর রহমান বলেন, ‘সিনেমার জন্যে প্রথম ফান্ড পাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। এখন আমাদের জন্য সুবিধা হয়ে গেল। ইতিমধ্যে আমরা আরও একটি ফান্ড পেয়েছি। সেটা এখনই বলতে চাই না। এখন আর লগ্নীকারক পেতে সমস্যা হবে না।’

default-image

বাংলাদেশের কোনো নির্মাতা এর আগে তাইওয়ান সরকারের এই ফান্ড পাননি। তরুণ নির্মাতাদের ফান্ডটি দেয় তাইওয়ান সরকার। ‘মুভিং বাংলাদেশ’ ছাড়াও এই বছর এ ফান্ড পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা ‘বি উইথ মি’, ফ্রান্সের ‘ফর দ্য কান্ট্রি’, মালয়েশিয়ার ‘স্নো ইন দ্য মিডসামার’ এবং নেপাল, ফ্রান্স, তুরস্ক ও নরওয়ের ‘আ ইয়ার অব কোল্ড’। ৫টি সিনেমা ছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শেডোলেস’, সিঙ্গাপুর ও ফ্রান্সের ‘মংগ্রিল’।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন