default-image


দেড় মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ঢাকায় ফেরেন বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ও সাংসদ আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। দেশে ফেরার ১১ দিনের মাথায় করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া গেল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলেও জানালেন তাঁর স্ত্রী ফারহানা পাঠান।
আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে ফারহানা পাঠান জানালেন, কয়েক দিন ধরে জ্বর ও কাশি হচ্ছিল ফারুকের। ৬ নভেম্বর কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। নেগেটিভ আসে। এর মধ্যে ৯ নভেম্বর সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন। পরদিন আবার জ্বর আসে। এদিকে শরীরের ইলেকট্রোলাইট অনিয়ন্ত্রিত মনে হচ্ছিল। হালকা কাশিও ছিল। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরাও চিন্তায় পড়েন। দুই দিন আগে আবার কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়। এরপর ফলাফল হাতে পেলে জানা যায়, ফারুকের কোভিড-১৯ পজিটিভ। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

default-image

ফারহানা পাঠান বললেন, ‘জটিলতা খুব বেশি নয়। তারপরও টেনশন হচ্ছে। জ্বর আর কাশি এখন কমে এসেছে। শরীরে অন্য কোনো জটিলতা নেই। খাওয়াদাওয়া করছেন। সবার কাছে ফারুকের জন্য দোয়া চাই।’

বিজ্ঞাপন

গত ১৩ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য ফারুককে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সাত বছর ধরে সিঙ্গাপুরের এ হাসপাতালেই তিনি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে আসছেন। এবার সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে নায়ক ফারুক দীর্ঘদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন।

default-image

দফায় দফায় জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ঢাকার দুটি বড় হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন ফারুক। দুটি পরীক্ষাতেই তাঁর কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসে। এ ছাড়া টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার পরীক্ষাও করানো হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কোনো রোগ ধরা পড়েনি। এতে দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে ফারুকের পরিবারের। সে সময় চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছিলেন, এই অভিনেতা টিবিতে (যক্ষ্মা) ভুগছেন। অবশেষে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, ফারুক টিবিতে আক্রান্ত।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে ঢালিউড মাতিয়েছেন ফারুক। অভিনয় ছাড়ার পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৭ আসনে প্রথমবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি।

default-image
মন্তব্য পড়ুন 0