এফডিসিতে শুটিং শেষে নায়িকার রান্না করা খাবার খেতে বসেছেন নায়ক, পরিচালক ও তাঁর দলবল
এফডিসিতে শুটিং শেষে নায়িকার রান্না করা খাবার খেতে বসেছেন নায়ক, পরিচালক ও তাঁর দলবলসাবিনা ইয়াসমিন

দুপুর থেকে মেঘ করেছে। ঝকঝকে রোদেলা আকাশ হঠাৎ অন্ধকার। শরৎকালে এমনটা হতেই পারে! হুটহাট আবহাওয়া বদলে যেতেই পারে। এমন আবহাওয়া দুভাবে উপভোগ করলেন একই ছবির নায়ক-নায়িকা।

default-image

গতকাল বিএফডিসিতে চলছিল ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং। সবার শুটিং থাকলেও ছবির নায়িকা পরীমনি ছুটিতে। বেলকনিতে বসে তিনি উপভোগ করতে পারতেন মেঘলা এই দিনটা। কিন্তু ছবির সহশিল্পী সিয়াম আহমেদ পরীকে রান্নাঘরে যেতে বাধ্য করেছেন। আগের দিন অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর শুটিং শেষে সবাইকে নিয়ে লটারি করেন সিয়াম। ছোট ছোট কাগজের টুকরায় সবার নাম লিখে সেখান থেকে একটা তুলে নেওয়া হয়। কথা ছিল, যার নাম উঠবে, পরদিন দুপুরে সে ইউনিটের সবার জন্য রান্না করবে। উঠেছিল পরীমনির নাম। যদিও তাঁর দাবি, সিয়াম সব কটি কাগজেই পরীর নামই লিখেছিলেন। তাই সকালের আগুন গরম আবহাওয়ায় রান্নাঘরে ঢুকতে হয় পরীমনিকে।

default-image

পরীমনি ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির পুরো শুটিং দলের জন্য রান্না করেছিলেন ঝাল গরুর মাংস, কলিজা ভুনা আর আতপ চালের ভাত। দুপুর ১২টার দিকে নিজের হেঁশেল থেকে ফোনে পরীমনি বলেন, ‘এত মানুষের জন্য আগে কখনো রান্না করিনি। নার্ভাস লাগছে।’ বেলা তিনটা নাগাদ শুটিং সেটে পৌঁছে যায় সেই খাবার। ততক্ষণে সূর্য ঢেকে দিয়েছে মেঘ। আর গরুর মাংসের হাঁড়ি থেকে ঢাকনা সরাতেই শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া শুটিং ততক্ষণে শেষ। একবারে ‘প্যাকআপ’ করে দলবল নিয়ে খেতে বসেন নায়ক সিয়াম ও পরিচালক আবু রায়হান। যদিও পরী সেদিন সেটে আসতে পারেননি। মধ্যাহ্নভোজ শেষে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে সিয়াম বললেন, ‘খাবারটা দারুণ মজার ছিল। অনেক দিন পর কয়েকবার ভাত নিলাম।’

বিজ্ঞাপন
default-image

সিয়াম আহমেদ ও পরীমনি অভিনীত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ ছবির শুটিং শেষ হতে আর বাকি দুই দিন। করোনাকালে সঙ্গনিরোধের বিরতি শেষে ৩ সেপ্টেম্বর আবার শুরু হয় শুটিং। খুলনায় সেই শুটিং চলে ৮ তারিখ পর্যন্ত। এরপর ঢাকায়, ১০ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এফডিসিতে। পরিচালক জানান, আজ থেকে শেরপুরে হবে ছবির গানের দৃশ্যায়ন। এরপর শুরু হবে শুটিং–পরবর্তী কাজ।

মন্তব্য পড়ুন 0