বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিচালক অপূর্ব রানা জানান, এক বছর ধরে কাজটির পূর্বপ্রস্তুতি নিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটি মানব পাচার, অবৈধ অভিবাসীর বাস্তব ঘটনার ছবি। দেশ ও দেশের বাইরে নানা জায়গায় শুটিং করতে হবে। ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই। কাজটি অনেক বড় আয়োজনে করতে হচ্ছে। বাজেটও অনেক বেশি।’

‘জলরঙ’ ২০২০-২১ অর্থবছরের বাংলাদেশ সরকারের অনুদানের ছবি। সরকার থেকে ৬০ লাখ চাকা অনুদান পেয়েছেন, জানালেন পরিচালক। বলেন, ‘গল্পের বাস্তবতা ফুটিয়ে তুলতে দেশের মধ্যে টেকনাফসহ বেশ কয়েকটি দুর্গম এলাকা এবং দেশের বাইরে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড জঙ্গলে শুটিং করতে হবে। হিসাব করে দেখেছি ছবির বাজেট এখন প্রায় দেড় কোটি।’

এ ধরনের গল্প নিয়ে ছবি নির্মাণ প্রসঙ্গে অপূর্ব রানা জানান, এ বিষয়টি সারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রাইসিস। এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রায় সাড়ে আট কোটি মানুষ দেশে দেশে বিভিন্ন জায়গায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বলেন, ‘এমন বিষয় নিয়ে বিদেশে প্রচুর সিনেমা হয়েছে। আমাদের এখানে বিষয়টি নিয়ে সেভাবে কোনো সিনেমা হয়নি। সেই আগ্রহ থেকেই কাজটি করছি।’ পরিচালক জানান, প্রথম ধাপে হোতাপাড়ায় ১০ দিন শুটিং হবে। দ্বিতীয় ধাপে কক্সবাজার, টেকনাফ, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে। তৃতীয় ধাপে হবে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া।

জানা গেছে, প্রায় ৪৩ জন পরিচিত শিল্পী ছবিতে অভিনয় করছেন। এ ছাড়া ট্রলারে করে মানব পাচারের দৃশ্যের শুটিং করার সময় আরও প্রায় ৫০ জন অতিরিক্ত শিল্পী কাজ করবেন। ছবিতে অভিনয় করছেন সাইমন সাদিক, উষ্ণ হক, শহীদুজ্জামান সেলিম, মাসুম আজিজ, আশীষ খন্দকার, শতাব্দী ওয়াদুদ, ভাস্কর রাশা, রাশেদ মামুন অপু, খালেদা আক্তার কল্পনা, বড়দা, মিঠু, কমল পাটেকার, আশরাফ কবির, ফারজানা সুমি, ফারজানা রিক্তা, এলিনা শাম্মী প্রমুখ।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন