বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বার্বিকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মিম বলেন, ‘সকাল থেকে শুরু করে ঘুমানোর আগপর্যন্ত আমার সঙ্গে থাকত বার্বি। আমি যখন বই বা চিত্রনাট্য পড়তাম, সে এসে পাতার ওপর বসে পড়ত। পাতা ওল্টালে ওল্টানো পাতার ওপর এসে আবার বসত। তার এসব আচরণে কখনোই এতটুকুও বিরক্ত লাগত না আমার। বরং ভীষণ মজা লাগত, আনন্দ পেতাম।’ মিম জানান, তিনি বাসায় না থাকলে বিড়ালটি বেশির ভাগ সময় তাঁর খাটের নিচে থাকত। শুক্রবার শুটিংয়ের জন্য বাইরে ছিলেন। খাওয়ানোর জন্য সহকারী খাটের নিচ থেকে বিড়ালটিকে টেনে বের করতে গিয়েই অঘটনটি ঘটে। তিনি বলেন, ‘আমি বাসায় ছিলাম না। আমার ধারণা, খাটের নিচ থেকে বের করার সময় জোরে টান লেগেছে। ওর বয়স কম। এ কারণে হয়তো আঘাতটা নিতে পারেনি।’

প্রিয় বিড়ালছানা আহত হওয়ার খবর পেয়ে শুটিং ফেলে দ্রুত বাসায় চলে যান মিম। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। মিম বলেন, ‘পরপর দুজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম বার্বিকে। একজন চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স–রে করাই। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক নিউরো সমস্যার কথা জানান। বার্বিকে সুস্থ করে তুলতে সেবা–যত্নের পরামর্শ দেন তাঁরা। আমি শুটিং বাতিল করে পরের দিন ওর সেবা করেছি। কিন্তু আফসোস, ওকে বাঁচানো গেল না।’

বিদ্যা সিনহা মিমের ক্যান্ডি নামে বিদেশি জাতের আরেকটি বিড়ালছানা আছে। সেটির বয়স পাঁচ মাস।

default-image
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন