বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সমসাময়িক সহশিল্পীদের অনেকে ওয়েব সিরিজ, ওয়েব ফিল্মের পাশাপাশি নাটকেও নিয়মিত। আপনাকে দেখা যায় না।

এ বছর দুটিমাত্র কাজ করেছি। আগামী বছর যদি ক্লোজআপের কাজের প্রস্তাব থাকে, তাহলে আরেকটি কাজ করতে পারি। তা ছাড়া নাটক করব না। আমি আস্তেধীরে বড় পর্দার কাজটাই করতে চাই। বিভিন্ন মাধ্যমে গণহারে কাজ করব না। অভিনয়ের কোয়ালিটি আমার বড় সম্পদ। তবে হুম, বছরে দু-একটি ওটিটির কাজ হতেই পারে। যেমন আ নাইট টু রিমেম্বার কাজটি চিত্রনাট্য পড়েই করতে চেয়েছি। অনেক সময় দেখা যায়, চিত্রনাট্য হাতে পেলে পড়ার পর একটু সময় নিয়ে কাজের সিদ্ধান্ত নিই আমরা। কিন্তু এই চিত্রনাট্য পড়েই নিজ থেকেই কাজটি করতে চেয়েছি। কারণ, আমার মনে হয়, এমন গল্পের কাজ বাংলাদেশে আর হয়নি।

default-image

শুধু ফিচার ফিল্ম করে টিকে থাকাটা ঝুঁকির হয়ে যাবে না?

আমি কিন্তু চিন্তাভাবনা করেই বাংলা সিনেমায় কাজ করতে এসেছি। ভালোবাসা, ভালো লাগার জায়গায় বেশি ঝুঁকি থাকে। তা ছাড়া আমি ওটিটির ফিল্মকে তো আর খারাপ বলছি না। ওটিটি একটা নতুন প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে নতুন নতুন কনটেন্ট মানুষের কাছে দ্রুতই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। ফিচার ফিল্ম ভিন্ন। প্রেক্ষাগৃহে বসে সরাসরি দর্শকের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুনছি, মিশন এক্সট্রিম–এ দর্শক আসছেন। নোনা জলের কাব্য ছবিটিও নাকি ভালো চলছে। একটু ফ্রি হলে ছবি দুটি দেখতে হলে যাব। হলে বসে সিনেমা দেখার মজাই আলাদা। আমরা শিল্পীরা নিজেরা দেখব এবং আশপাশের মানুষজনকে সিনেমা দেখার আহ্বান জানিয়ে অভ্যস্ত করলে বেশি বেশি ফিচার ফিল্ম তৈরির সুযোগ হবে।

default-image

শেষ কবে হলে গিয়ে ছবি দেখেছেন?

গেল মাসেই দেখেছি। হলে বসে রেহানা মরিয়ম নূর দেখলাম। নতুন নতুন ছবি মুক্তি পেলে হলে বসে দেখার চেষ্টা করি আমি। কারণ, ফিচার ফিল্ম করাটাই আমার মূল লক্ষ্য।

default-image

নতুন কাজের খবর কী?

ডিসেম্বর মাসে অন্তর্জাল ছবির বাকি শুটিং শেষ করব। নতুন কাজ বলতে পাঁচটি সিনেমার চিত্রনাট্য ও কয়েকটি ওয়েব ফিল্মের চিত্রনাট্য হাতে আছে। পাঁচটির মধ্যে দুটির কাজ করার ইচ্ছা। যদিও পাঁচটির মধ্যে তিনটি চিত্রনাট্য পছন্দ হয়েছে।

default-image
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন