বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বলা যায়, অকালেই চলে গেছেন দোয়েল। দীঘি তখন অনেক ছোট। খুব কম সময়ই তিনি মাকে পেয়েছেন। জীবনের চলার পথ ও ক্যারিয়ারের প্রতিটি ক্ষেত্রে দীঘি মনে করেন, মা তাঁর পাশেই আছেন। তিনি বলেন, ‘আমার চিন্তাভাবনা একদম মায়ের মতো। এটা আমি বুঝতে পারি। বাবাও তাই বলেন। মা সব সময় পজিটিভ চিন্তা করতেন। এ কারণে আমি কখনোই আশা হারাই না।’

default-image

খুব ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছেন, তবু মায়ের কাছ থেকে পাওয়া কী কী এখনো নিজের মধ্যে লালন করে রেখেছেন? এমন প্রশ্নে দীঘি বলেন, ‘আমার যা কিছু, সবই মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। আমার আচার-আচরণ মায়ের মতো। আমি সবার সঙ্গে মায়ের মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করি। শুটিংয়ে দেখতাম, সবাই মায়ের সঙ্গে কথা বলছেন। মা সবার সঙ্গে সহজে মিশতে পারতেন। সব সময় ভালো ব্যবহার করতেন, অনেককে সাহায্য করতেন। এখনো আমি যেকোনো কাজের শুরুতে ভাবি, আমার জায়গায় মা হলে কী করতেন, আমিও সেটাই করি। আমি মায়ের মতো হতে চাই। হয়তো এ জন্যই আমি এখনো মায়ের ছবি বারবার দেখি।’

default-image

শৈশবে মা দীঘিকে সাজিয়ে দিতেন। ছোট্ট দীঘি তাকিয়ে থাকতেন মায়ের দিকে। দেখতেন মায়ের সাজ। এখনো তিনি মায়ের মতো সাজতে পছন্দ করেন। দীঘি বলেন, ‘আমার শুটিংয়ে সারাক্ষণ যেন মা থাকেন, কারণ সবাই ঘুরেফিরে মায়ের কথাই বলেন। কেউ কেউ মায়ের সঙ্গে তুলনা করে ভালো অভিনয় করতে বলেন। অনেকেই বলেন, বাবা-মায়ের মতো হও। এখনো অভিনয় মনের মতো না হলে ভাবি, ইশ্ যদি মা থাকত, তাহলে শিখিয়ে দিত, কীভাবে আরও ভালো করা যায়।’

লেখাপড়ার পাশাপাশি সিনেমায় অভিনয় করে যেতে চান দীঘি। তাঁর হাতে এখন রয়েছে তিনটি সিনেমার কাজ। সম্প্রতি ‘মানব দানব’ নামের নতুন একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। তাঁর সহঅভিনেতা কলকাতার বনি সেনগুপ্ত। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন বজলুর রাশেদ।

default-image
ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন