বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভয়েস ওভারে শাবনূর বলতে থাকেন, ‘সালমান শাহ এমন একটি নাম, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি সোনালি সময়। অতি অল্প সময় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে, সেই সময়টুকু অগণিত ভক্তদের কাছে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন। প্রতিবছর এই দিনে কোটি ভক্তের হৃদয়ে আলোড়িত করে, সালমান শাহ ফিরে আসেন ক্ষণিকের জন্য। অকাতর ভালোবাসার অঞ্জলি নিয়ে ফিরে যান অযুত নক্ষত্রের ভিড়ে। ভালো থেকো প্রতিদিন সালমান শাহ, যেখানেই আছ, শাবনূর।’

default-image

বাণিজ্যিক বা দর্শকপ্রিয় যে অর্থেই বলি, শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর জুটি ঢালিউড চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম সারিতে থাকবে। তখন সবে কিছু সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন শাবনূর। অন্য দিকে প্রথম সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়েই রাতারাতি জনপ্রিয় তারকা বনে যান সালমান শাহ।

default-image

১৯৯৪ সালে ‘তুমি আমার’ ছবিতে প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন তাঁরা। সালমান শাহর এটি দ্বিতীয় ছবি। সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পেয়ে দারুণ ব্যবসা করে। এই ছবি যৌথভাবে পরিচালনা করেছিলেন জহিরুল হক ও তমিজ উদ্দিন। ‘তুমি আমার’ ছবির সাফল্যের পর সালমান-শাবনূর জুটিকে নিয়ে একের পর এক ছবি নির্মাণ শুরু হয়।

default-image

সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে সালমানের সঙ্গে শাবনূরের বন্ধুতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই বন্ধুত্ব শুধু তাঁদের দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দুই তারকার পরিবারের সদস্যরাও একে অপরের সঙ্গে দারুণ সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিলেন। বিভিন্ন সময় শাবনূর গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘সালমানের বউ সামিরা আমার খুব ভালো বন্ধু। আমার মায়ের সঙ্গেও সালমানের খুব শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিল। আমরা একসঙ্গে ঘুরতে যেতাম। দেশের মানুষের কাছে সালমান শাহর জনপ্রিয়তা যেমন তুঙ্গে ছিল, তেমনি মানুষ হিসেবেও ছিল সে অনন্য।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন