বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শাবনূর বললেন, ‘সমুদ্র আমার খুব প্রিয়। যখনই সুযোগ পাই, ড্রাইভ করে সমুদ্রের পাড়ে গিয়ে নিরিবিলি বসে থাকি। আইজানও খুব মজা পায়। কখনো আমার ছোট বোনের বাচ্চারাও জয়েন করে। আজ অবশ্য আমরা মা-ছেলে বের হয়েছি। বৃষ্টি শুরু হওয়াতে বেশি সময় থাকতে পারিনি। তবে বৃষ্টির সময়টাও মা-ছেলে ভীষণ উপভোগ করেছি। আর আইজানের তো কত গল্প... বলে শেষ করতে পারে না।’

default-image

করোনামুক্ত হলেও শারীরিকভাবে দুর্বল অনুভব করছেন বলে জানালেন শাবনূর। তিনি বললেন, ‘শুনেছি, করোনামুক্ত হওয়ার মাস ২-৩ পর্যন্ত শারীরিক দুর্বলতা নাকি থাকেই। ডাক্তার বলেছেন খাওয়াদাওয়া করতে। আপাতত তাই, কোনো ডায়েট নিয়ে ভাবছি না। খাচ্ছি-দাচ্ছি আর ঘুরে বেড়াচ্ছি।’

default-image

ঢালিউডের একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরটি গেল বছরের শেষ দিকে জানা যায়। তাঁর চিকিৎসা চলে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির একটি হাসপাতালে। ২৯ ডিসেম্বর ছিল শাবনূরের ছেলে আইজান নেহানের জন্মদিন। সেদিন করোনায় আক্রান্ত শাবনূর ছিলেন হাসপাতালের বিছানায়।

আর করোনা আক্রান্ত ছেলে বাসায়। এ নিয়ে ফেসবুকে শাবনূর লিখেছিলেন, ‘ছেলের জন্মদিনে হাসপাতালে থাকায় আমি তার পাশে থাকতে পারিনি। সবার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, আপনারা আইজানের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহপাক যেন আমার নয়নের মণিকে শিগগিরই সুস্থ করে দেন।’

default-image

পাঁচ দিন ধরে পিঠের ব্যথায় ভুগে গত ২৭ ডিসেম্বর সিডনির একটি হাসপাতালে এক্স-রে করাতে যান শাবনূর। করোনাসহ আরও বেশ কিছু পরীক্ষাও করান তিনি। হাসপাতালের কাজ শেষে নিজে গাড়ি চালিয়ে সিডনির বাসায় ফেরেন। বাসায় ঢুকতেই হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, তিনি করোনায় আক্রান্ত। হঠাৎ এ খবরে বিস্মিত ও হতবাক তাঁর পরিবারের সবাই। এরপর ২৭ ডিসেম্বর আইসোলেশনে চলে যান শাবনূর। পরদিন শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ২৯ ডিসেম্বর সিডনির স্থানীয় সময় বেলা দুইটায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন