বিজ্ঞাপন

বারবার চেষ্টা করেও যখন জানা সম্ভব হচ্ছিল না, তখন দ্বারস্থ হতে হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকা শাবনূরের কাছে। ফেসবুক মেসেঞ্জারে তরুণের বিষয়টি তুলতেই তিনি ফোন করেন। কোনো ধরনের ভণিতা না করে সরাসরি বলেন, ওর নাম সিয়াম। হয়তো ভবিষ্যতে ওকে সিনেমায় দেখা যেতে পারে। অন্য কিছু ভাবার মতো কিছুই এখানে হয়নি।

নতুন কোনো চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে শাবনূরকে দেখা যায়নি গেল কয়েক বছর। এখন তিনি ঢাকা টু সিডনি আসা–যাওয়ার মধ্যেই আছেন। একমাত্র ছেলেকে মানুষ করে তোলার দিকেই বেশি মনোযোগী তিনি। তবে অভিনয়ে না থাকলেও শাবনূরকে নিয়ে আলোচনার কমতি নেই।

default-image

শাবনূরও জানান, এই তরুণের ভিডিও পোস্ট করার পর তাঁর সঙ্গে কয়েকজন পরিচালক এবং একাধিক প্রযোজক যোগাযোগ করেছেন। এর মধ্যে জাজ মাল্টিমিডিয়ার আবদুল আজিজও যোগাযোগে আছেন। সবাই এই তরুণের খবর জানতে চান এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চান। কথা বলে পছন্দ হলে তাঁকে নিয়ে সিনেমাও বানাতে চান। নেক্সট হিরো হিসেবে কেউ কেউ ভাবতে চাইছেন বলেও আভাস দিলেন শাবনূর।

বুধবার অস্ট্রেলিয়ান সময় সন্ধ্যায় সাতটায় প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে শাবনূর বলেন, ‘যাঁরাই এই তরুণকে নিয়ে নানা কিছু ভাবছেন, তাঁদের এত সন্দেহ করার মতো কিছু নেই। আরেকটা কথা, ন্যাড়া কিন্তু বারবার নয়, একবারই বেলতলায় যায়। তাই বলছি, কেউই অন্য কিছু একদম ভাববেন না। আবারও বলছি, ওর নাম সিয়াম, ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে। কিন্তু সিনেমার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে। আমার পরিচিত। ভালো পরিবারের ছেলে। আমিও চাইছি, নায়ক হিসেবে ওর অভিষেক হোক।’

default-image

কথায় কথায় শাবনূর বলেন, ‘আমাকে এহতেশাম দাদু চলচ্চিত্রে ব্রেক দিয়েছিলেন। আমার মাধ্যমেও কেউ যদি নায়ক হওয়ার সুযোগ পায়, তাহলে কেন করব না! শুধু নায়ক নয়, নায়িকা হতে চায় এমন কাউকেও আমি সুযোগ দেব। খলনায়ক হতে চায়, তেমন কাউকেও সুযোগ দেব।’

শাবনূর জানান, কয়েক দফা দেশে আসার পরিকল্পনা করলেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করতে হয়েছে। কখনো অস্ট্রেলিয়ায়, আবার কখনো বাংলাদেশে, করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে। দুই দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই ঢাকায় ফিরবেন। এসেই কাজ শুরু করবেন শুটিং শেষ না হওয়া একাধিক চলচ্চিত্রের। নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারেও কথা হচ্ছে। সেসব নিয়েও ভাববেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন