বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

২৩ দিনে সিনেমার ৯৮ শতাংশ কাজ শেষ করেছেন তৌকীর। অল্প সময়ের মধ্যে ছবির এত কাজ কীভাবে করলেন, জানতে চাইলে তৌকীর বললেন, ‘আমার বেশির ভাগ সিনেমার শুটিং অল্প সময়ের মধ্যে শেষ করেছি। এর মধ্যে ‘ফাগুন হাওয়ায়’ ২২ দিনে, ‘অজ্ঞাতনামা’ ১৫ দিনে, ‘রূপকথার গল্প’ ১৬ দিনে, ‘জয়যাত্রা’ ৩০ দিনে করেছি। আমি সব সময় শুটিং সময়টা কমিয়ে আনার চেষ্টা করি, তাতে বাজেট কম রাখা সম্ভব হয়। ছবির প্রিপ্রোডাকশন, প্ল্যানিং এমনভাবে করি, যাতে শুটিংয়ের সময় কম লাগে। তা ছাড়া আমি ভালো পারফর্মার নিয়েই কাজ করি।’

default-image

রাজেন্দ্রপুরের নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট ছাড়াও ‘স্ফুলিঙ্গ’ ছবির শুটিং হয়েছে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কাপাসিয়া ও শীতলক্ষ্যা নদীর আশপাশে। তৌকীর বললেন, ‘আমরা যেহেতু কোভিড-১৯-এর মধ্যে কাজ করেছি, তাই লোকেশন নিয়েও প্ল্যানিং করতে হয়েছে বেশি। ইউনিট নিয়ে খুব বেশি ছোটাছুটি করতে সাহস পাইনি। আশপাশের ২০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কাজটা শেষ করার প্ল্যান করেছি, সেভাবেই কাজ করেছি।’
তৌকীর আহমেদের এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ের আলোচিত নায়িকা পরীমনি। ছবির অন্য শিল্পীরা তৌকীরের পরিচালনায় নাটক আর চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও পরীমনি সে তালিকায় ছিলেন এবারই প্রথম।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন