default-image

শুধু কি আমের আচার নিয়ে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্নে ববিতা বললেন, ‘অনেক ভালোবাসা নিয়ে যাচ্ছি। মায়ের ভালোবাসা। কত দিন ছেলেকে জড়িয়ে ধরে আদর করি না। ছেলেকে বলেছি, এয়ারপোর্টে দেখা হলেই তোমাকে জড়িয়ে ধরে আদর করব। অনেকক্ষণ জড়িয়ে রাখব। আগে তো অনেক খাবারটাবার নিয়ে যেতাম। এখন আর সেসব নিই না। সে-ও চায় না। তার বক্তব্য, আমি যাওয়ার পরই মা-ছেলে একসঙ্গে মজার সব রান্না করব আর খাব। রান্না করতে মন না চাইলে বাইরে গিয়ে কোথাও মা-ছেলে খেয়ে নেব। কানাডায় গেলে টুকটাক বাজার করি। বাংলাদেশ থেকে কাপড়চোপড় নিয়ে যাই, সেটাও ও পছন্দ করে না। তার কথা, আমি সঙ্গে থাকব শুধু। দরকার হলে ঘুরে ঘুরে কিনব।’

default-image

কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন ববিতা। এরপর আবার কানাডা হয়ে বাংলাদেশে ফিরবেন চলতি বছরের নভেম্বরে। তিনি বলেন, ‘আমার দুই ভাই যুক্তরাষ্ট্রে থাকে। তাদের ছেলেমেয়েরাও আছে। কানাডায় কয়েকটা দিন থাকার পর তাই যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে যাব। কিছুদিন ঘুরেফিরে আবার ছেলের কাছে যাব। মা-ছেলের ঘোরাঘুরি শেষ হলে তবেই ঢাকায় ফিরব।’ ববিতা আরও বলেন, ‘অল্প বয়সে চলচ্চিত্রে এসেছি, অনেক শখ পূরণ করতে পারিনি। এখন হাতে সময় আছে, যে শখগুলো পূরণ করতে পারিনি, পূরণের চেষ্টা করি।’

default-image

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ববিতা ২৭৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দেশের প্রখ্যাত সব নির্মাতার পাশাপাশি কাজ করেছেন দেশের বাইরের বিখ্যাত নির্মাতার ছবিতেও। সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’-এর জন্য ববিতা দেশে ও দেশের বাইরে প্রশংসা কুড়ান। সন্তানকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে একটা সময় ছবিতে কাজ কমিয়ে দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘তা না হলে পৌনে ৩০০ ছবির থেকে তা বেড়ে অনেক বেশি হতো। আমি নারী। একাই চলতে হতো। সমানতালে দুই সংসার সামলাতে হয়েছে। অনিকের কথা ভেবে সারাটা জীবন একাই পার করেছি। ওকে মানুষের মতো মানুষ করে তোলাই ছিল আমার লক্ষ্য।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন