ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডার সদস্য হলেন বাংলাদেশের ইকবাল

ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। ছবি: পরিচালকের সৌজন্যে

কানাডার চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডা (ডিজিসি)। গুরুত্বপূর্ণ এই সংগঠনের পরিচালক সদস্যপদ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নির্মাতা ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। তিনি মনে করেন, এ সংগঠনের সদস্য হওয়াটা অনেক সম্মানের।

সংগঠনটির ওয়েবসাইট ডিরেক্টরস ডট সিএ-তে ইকবাল হোসাইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি বলি (দ্য রেসলার) সিনেমার জন্য পুরস্কার জয় করেছেন। তাঁর সিনেমাটি ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে নিউ কারেন্টস অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল। এবং তাঁর সিনেমা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের ৯৭তম আসরে বাংলাদেশ থেকে সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে অস্কার প্রতিযোগিতার জন্য অংশ নেয়।

বুসানের পুরস্কার হাতে ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। ছবি: পরিচারকের সৌজন্যে

ডিজিসি ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, কানাডার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে কাজ করা পরিচালক, সহকারী পরিচালক, প্রোডাকশন ম্যানেজার ও বিভিন্ন সৃজনশীল বিভাগের পেশাজীবীদের প্রতিনিধিত্বকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এই গিল্ড সদস্যদের পেশাগত অধিকার রক্ষা, কাজের মান উন্নয়ন ও শিল্পের মানদণ্ড বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কানাডার মূলধারার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনায় কাজ করতে গেলে এই সংগঠনের সদস্যপদ একটি বড় স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। ছবি: ডিরেক্টরস ডট সিএ থেকে নেওয়া

ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডার এই পরিচালকদের তালিকায় বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ইকবাল হোসাইন চৌধুরীর নাম রয়েছে। এই পরিচালক টরন্টো থেকে হোয়াটস অ্যাপ বার্তায় বলেন, ‘কানাডার মূলধারার সিনেমায় আমি বহু ক্ষুদ্র দায়িত্বও গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেছি। এমনও হয়েছে স্রেফ এক দিনের একটা কাজের ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য আমি সাড়ে তিন শ কিলোমিটার দূরে গেছি। পরে সে কাজটা হয়নি। সেদিক থেকে ডিরেক্টর হিসেবে সদস্যপদ পাওয়া সম্মানের।’

আরও পড়ুন
ইকবাল হোসাইন চৌধুরী
ছবি : সংগৃহীত

ইকবাল জানান, ডিরেক্টরস গিল্ড অব কানাডার মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবী সংগঠনে একজন বাংলাদেশি নির্মাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্তি ভবিষ্যতে আরও নির্মাতাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশিদের মধ্যে এমন ধারা তৈরি করা যেখান থেকে অন্যরাও উৎসাহী হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে দেশের সিনেমা এগিয়ে যাবে সেটাই প্রত্যাশা।’