আনিসুল হক আরও বলেন, ‘যখন উপন্যাসটি নিয়ে সিনেমা করার সিদ্ধান্ত হলো, এর চিত্রনাট্য করতে বসে অনেকবার আমাকে দেখিয়ে নিয়েছেন পরিচালক। তাঁরা অনেক কষ্ট করেছেন। তাঁদের চেষ্টায় আমি অভিভূত। আমি মনে করি “হৃদিতা” চলচ্চিত্র দর্শকের মন জয় করবে। এটি পুরস্কারও আনতে পারে। আপনারা ছবিটি দেখতে হলে যাবেন। ভালো লাগবে ছবিটি। আমি মনে করি, এই ছবিটি হলে আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে। দেখার পর আপনারা হাততালিও দেবেন, ছবিটি নিয়ে সেই বিশ্বাস আমার আছে।’

default-image

বর্তমান সময়ে দর্শক হলে ফিরেছেন। ভালো ছবি দেখতে দর্শক হলে ভিড় করছেন। ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমা তার প্রমাণ দিয়েছে। এমন কথা জানিয়ে ইস্পাহানি আরিফ বলেন, ‘এখন হলমুখী হয়েছেন দর্শক। “পরাণ” ও “হাওয়া” সিনেমায় দর্শক জয়জয়কার। আমি বিশ্বাস করি, “হৃদিতা” আপনাদের হতাশ করবে না। আপনারা “পরাণ” ও “হাওয়া” দেখতে যেভাবে হলে যাচ্ছেন, “হৃদিতা” দেখতেও সেভাবে যাবেন। কারণ, আমরা চলচ্চিত্রের মানুষগুলো আপনাদের জন্যই কষ্ট করে সিনেমা বানাই। সেই সিনেমা হলে দেখতে আপনারা আসলেই আমাদের সার্থকতা।’

default-image

আনিসুল হক চিত্রনায়িকা পূজা চেরির প্রিয় লেখক। তাঁর গল্পের ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর কোনো কিছু না ভেবেই কাজটি করতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। পূজা চেরি বলেন, ‘কাজটিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগে বাইরে বাইরে শুনতাম, আমাকে নিয়ে নাকি আনিসুল হকের “হৃদিতা” সিনেমা তৈরি হবে। কিন্তু তখনো আমি প্রস্তাব পাইনি। পরে একদিন ইস্পাহানি আরিফ জাহান ভাই ফোনে জানালেন আমাকে নিয়ে “হৃদিতা” বানাবেন। আনিসুল হকের উপন্যাসের গল্পের কথা শুনে কোনো কিছু না ভেবেই কাজটি করতে রাজি হয়ে গেলাম।’

এই নায়িকা আরও বলেন, ‘আনিসুল হক স্যার বলেছেন উপন্যাসটি লিখতে বসে তিনি কেঁদেছেন। শুটিং শেষ করে যখন ডাবিং করছিলাম, তখন আমিও কেঁদেছি। প্যানেলে বসে আমি এখনো পুরো ছবি দেখিনি। দেখতেও চাই না। আমার ইচ্ছা, প্রেক্ষাগৃহে বসে দর্শকের সঙ্গে পুরো ছবিটি দেখার।’

default-image

ইস্পাহানি আরিফ জাহান জানালেন, মুক্তির আগে আগে পর্যায়ক্রমে ছবির ট্রেলার ও গানগুলো প্রকাশ করা হবে।
ছবিতে দুটি গান আছে। গেয়েছেন চন্দন সিনহা ও সিঁথি সাহা। ছবির সংলাপও লিখেছেন আনিসুল হক। ছবিটির চিত্রনাট্যের কাজ করেছেন পরিচালক নিজেই। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানের এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন এ বি এম সুমন, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবেরী আলম, আরজুমান আরা প্রমুখ।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন