সিনেমায় অন্নপূর্ণা নামের এক মধ্যবয়সী নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মৌসুমী, দেশভাগের সময় আশপাশের অনেকেই চলে গেলেও যিনি বাংলাদেশেই থেকে যান। দেশভাগের গল্পে মানুষের দেশান্তরি হওয়ার গল্পই সাধারণত উঠে আসে, কিন্তু এই সিনেমায় অন্নপূর্ণাদের দেশে থেকে যাওয়ার গল্প তুলে আনা হয়েছে। সুজনের এটি প্রথম সিনেমা।

সুজন বলছেন, এস এম সুলতানের পেইন্টিং থেকে চরিত্রটির ভাবনা পেয়েছেন তিনি। মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল। আরও আছেন তরুণ জুটি ইয়াশ রোহান ও টাপুর। সিনেমার ট্রেলারে ইয়াশ ও টাপুরের রসায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

নির্মাতা আশুতোষ সুজন জানান, ২০১১ সালে উপন্যাসটি পড়েছিলেন তিনি। পড়ার পর থেকেই গল্পটা তাঁর হৃদয়ে গেঁথে যায়। তখনই সিদ্ধান্ত নেন, উপন্যাসটি নিয়ে সিনেমাটি করবেন। ঘটনাক্রমে নির্মলেন্দু গুণের মেয়ে মৃত্তিকা গুণের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন সুজন। ২০১৬ সাল থেকে সিনেমার চিত্রনাট্যে হাত দেন সুজন।

নূরুল আলম আতিকসহ আরও কয়েকজন নির্মাতা সিনেমাটি দেখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক ফেসবুক পোস্টে আতিক লিখেছেন, ‘চিত্রনাট্য পড়ে, ট্রেলার দেখে আন্দাজ করি দেশভাগের বেদনাদায়ক পটভূমিতে একটা মিষ্টি প্রেমের ছবি দেখতে পাব; মানব-মানবীর প্রেম যেমন তেমনি দেশের প্রতিও গভীর ভালোবাসা।’

সিনেমার অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, মোমেনা চৌধুরী, শুভাশীষ ভৌমিকসহ আরও অনেকে।

কেন দেখবেন?

পরিচালক বলছেন, বাঙালির শিকড়ের গল্প, ভারতবর্ষের ইতিহাস জানতে চাইলে সিনেমাটি দেখতে হবে। তিনি সিনেমায় বাঙালির শিকড়ের গল্প তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। গল্প ও চিত্রনাট্যই এ সিনেমার প্রাণ।