মীর সাব্বির বলেন, ‘আমার বলা শব্দগুলো বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় মা–বোনেরা প্রায়ই ব্যবহার করেন। মঞ্চে আমার কথার বলার সময় সবাই দেখে থাকবেন, উপস্থাপিক চমৎকার হেসে কথাগুলো গ্রহণ করেছেন। সব সময় যেভাবে বিনোদন পান, সেভাবেই দর্শকসহ সবাই গ্রহণ করেছেন। তখনো আমি বুঝিনি, এটা নিয়ে তেমন কিছু হতে পারে। দুই দিন পর ওই উপস্থাপিকের বরাত দিয়ে কিছু সংবাদকর্মী জানালেন, আমি নাকি উপস্থাপিকাকে পোশাক নিয়ে ছোট করে কথা বলেছি। সাংবাদিকদের বললাম, এটা আসলে তেমন কিছুই নয়। একটা ছোট্ট বিষয়কে হঠাৎ করে বড় করার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। আমি একটা কথাই বলব, আমি যেটা বলেছি, সেটা তাৎক্ষণিক এবং এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।’

উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েলকে ছোট বোনের মতো মনে করে সাব্বির বলেন, ‘দেখুন, আমরা পরিবার নিয়ে বসবাস করি। মা–বোন সবার আছে। সেখানে কোনো মেয়েকে ছোট করার কোনো প্রশ্নেই আসে না। পায়েল, (উপস্থাপিকা) সে আমার ছোট বোনের মতো। সে যদি কষ্ট পেয়ে থাকে, তাহলে আমি দুঃখ প্রকাশ করতেই পারি। সেটা নিয়ে ফেসবুক কিংবা বিভিন্ন মাধ্যমে বক্তৃতা দিয়ে ছড়ানোর কিছু নেই। এর চেয়ে বড় ভাই, সহকর্মী হিসেবে সে আমাকে বলতেই পারত। আমি দীর্ঘদিন ধরে মিডিয়ায় কাজ করি। এ সময়ে কেউ বলতে পারবেন না, আমি কখনোই কাউকে কষ্ট দিয়েছি। বরং সবার ভালোবাসাই আমার অনুপ্রেরণা।’

সাব্বির পায়েলের উদ্দেশে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অতএব মন খারাপ না করে আমি আশা করছি, সবার মতো আমার এই ছোট বোনেরও আমার সম্পর্কে ধারণা এবং আমার বরিশালের আঞ্চলিক ভাষার ক্ষেত্রে (শব্দের মানে না বোঝার কারণে) যত অভিমান আছে, সেটা ভুলে গিয়ে পুরো বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আমি তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য কথাটা বলিনি। কারণ, তুমি আমার শব্দের মানে বুঝতে পারোনি।’