পছন্দের খাবার পিৎজা, নিয়মিত জিমে না গিয়েও যেভাবে ফিট থাকেন জয়া

জয়া আহসানছবি : জয়ার ফেসবুক থেকে

ঢাকা ও কলকাতা—দুই শহরে ব্যস্ততা। সিনেমার শুটিং, প্রচার থেকে শুরু করে নানা কাজে প্রায়ই ঢাকা আর কলকাতা যাতায়াত করতে হয়। তবে শত ব্যস্ততার ছাপ যে জয়ার চেহারায় পড়ে না। কী এমন রহস্য? সম্প্রতি পশ্চিমঙ্গে মুক্তি পেয়েছে কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত জয়া আহসান অভিনীত নতুন সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’। সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী। সেখানেই জানিয়েছেন তাঁর ফিটনেসের রহস্য।

সচারচর জয়া জিমে যেতে চান না বা যাওয়া হয় না। ছবির শুটিং শুরু হওয়ার মাসকয়েক আগে থেকে জিম করা শুরু করেন তিনি। তখন পিলাটিজ করে ক্যালরি ঝরান জয়া। অর্থাৎ চিরাচরিত ফিটনেস রুটিনের প্রতি ঝোঁক নেই তাঁর। কিন্তু জনপ্রিয় শারীরচর্চা থেকে খানিক দূরে থাকলেও মাঠঘাট, চাষের খেত তাঁকে সুস্থ রাখে, আনন্দে রাখে।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার ডট কমকে জয়া বলেছেন, ‘জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জয়ার অনুরাগীরা জানেন, বাংলাদেশে তাঁর বাড়িতে হরেক সবজির চাষ হয়। খাবারের থালাতেও সেই সবজির রাঁধা পদই থাকে। ফলে রাসায়নিক সারের ভীতি থাকে না। নিজে চাষ করে খাওয়াদাওয়ারই পক্ষপাতী জয়া।

নিজের বাগানে জয়া আহসান। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

তবে কালেভদ্রে যে বাইরের খাবার খান না, তা নয়। পিৎজা জয়ার খুবই পছন্দের খাবার। তা ছাড়া কিন্তু জাঙ্ক ফুডের প্রতি তত প্রীতি নেই অভিনেত্রীর। বাড়িতে তৈরি সবজি দিয়ে রাঁধা খাবারই বেশি পছন্দ তাঁর। জয়ার কথায়, ‘যদি জাঙ্ক ফুড খেয়েও ফেলি, তা নিয়ে অপরাধবোধে ভুগি না আমি। কারণ, মাঝে মাঝে মন ও আত্মাকেও খাওয়ানো উচিত বলে মনে করি। খুব বেশি সতর্ক হয়ে গেলে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন কীভাবে!’

আরও পড়ুন

২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া কৌশিক গাঙ্গুলীর ‘অর্ধাঙ্গিণী’ বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রশংসাও পায়। তিন বছর পর এসেছে সিনেমাটির সিক্যুয়েল ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’। ‘মেঘনা’ চরিত্রে ফিরেছেন জয়া আহসান। চরিত্রটি নিয়ে জয়া প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘মেঘনা চরিত্রটা তো আগে থেকেই তৈরি ছিল। তারপর সময় কিছুটা কেটে গেছে। শহরটা মেঘনার অনেকখানি হয়ে গেছে। ও পরিবারের একজন অংশ হয়ে গেছে। পরিবারে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বাচ্চাটা বড় হয়েছে। মেঘনার জীবনে নতুন নতুন আরও চরিত্র এসেছে। যেমন করে সিনেমাতে নতুন চরিত্রগুলো আসে। ও আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। কিন্তু সংসারে এবারও নানা রকমের টানাপোড়েন তৈরি হয়, অদ্ভুত পরিস্থিতিতে পড়তে হয় মেঘনাকে। নতুন সিনেমায় সেটাই উঠে এসেছে।’

জয়া আহসান। ছবি : খালেদ সরকার