অঞ্জনা অনন্ত জলিলকে স্মরণ করিয়ে দেন, এর আগেও দেশে আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা হয়েছে। সেগুলো ব্যবসাসফলও হয়েছে। সেগুলোর অভিনেত্রী স্বয়ং তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন আরও লেখেন, ‘মিস্টার অনন্ত জলিল আপনি হয়তো জানেন না আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগেই অসংখ্য আন্তর্জাতিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে আমি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছি। সেখানে তুরস্ক, ইরাক, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, হংকংসহ পাকিস্তানের আরও নিজস্ব তিনটি ভাষা উর্দু, পাঞ্জাবি, পশতু ভাষার ব্যবসাসফল বহু চলচ্চিত্রে সুনামের সঙ্গে আমি অভিনয় করেছি।’

default-image

বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ববিতা আপা, আমি ও রোজিনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অসংখ্য কাজ করেছি। কিন্তু সর্বাধিক কাজ একমাত্র আমি করেছি।’ অঞ্জনা এ সময় তাঁর আন্তর্জাতিক মানের কাজগুলোর পোস্টার স্ট্যাটাসে ভাগাভাগি করে অনন্ত জলিলকে উদ্দেশ করে লেখেন, ‘আমি আমার অভিনীত আন্তর্জাতিক মাইলস্টোন ইন্টারন্যাশনাল চলচ্চিত্রের পোস্টারগুলো দিলাম, দেখে নিন। তাই কিছু বলার আগে একটু ভেবে নেবেন আর বাংলা চলচ্চিত্র ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্পর্কে কিছুটা অনুধাবন করবেন।’

default-image

এ সময় অনন্ত জলিলের সিনেমার প্রশংসাও করেন অঞ্জনা। দেশে এখন সিনেমার সংখ্যা খুবই কম। প্রতিবছর পাল্লা দিয়ে কমছে সিনেমা হলের সংখ্যা। নিয়মিত সিনেমা মুক্তির সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক কম। দর্শকও দিন দিন হলে সিনেমা দেখা কমিয়ে দিচ্ছেন। সেখানে কিছুটা আশা দেখাচ্ছে ঈদের সিনেমা। সব মিলিয়ে ঢালিউড এখন দুঃসময় পার করছে। অঞ্জনা লিখেছেন, ‘আমি আপনাকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাই যে চলচ্চিত্রের এই ক্রান্তিলগ্নে আপনি আন্তর্জাতিকভাবে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও করবেন আশা করি। আপনার কাছে শুধু একটাই অনুরোধ থাকবে, এ দেশের চলচ্চিত্রের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস জেনে তারপর আপনি আপনার মতো মত প্রকাশ করবেন।’

default-image

অঞ্জনা ‘লাভ ইন থাইল্যান্ড’, ‘বাদলা’, ‘আখেরি’, ‘জিনদেগীকে ইন্তেকাম’, ‘এলিফ্যান্ট লাভ’সহ একাধিক সিনেমার পোস্টার শেয়ার করেছেন। এ সিনেমা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরির পক্ষে নন অরুণা বিশ্বাস। তিনি অঞ্জনার স্ট্যাটাসে মন্তব্য করেছেন, ‘সব চলচ্চিত্রই আমাদের। চলেন সবাই সবাইকে সম্মান করি।’

অনন্ত জলিলের সিনেমা ‘দিন দ্য ডে’ নিয়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতা জানিয়েছেন, তাঁর সিনেমার বাজেট ১০০ কোটি টাকা। সিনেমাটির শুটিং হয়েছে বাংলাদেশ–তুরস্কসহ কয়েকটি দেশে। সিনেমাটির অ্যাকশন, সাউন্ড, কালারসহ সিনেমাটিকে দর্শক পছন্দ করেছেন। বাংলাদেশে এত বড় বাজেটের সিনেমা এর আগে হয়নি। বিভিন্ন দেশের একাধিক অভিনয়শিল্পী সিনেমাটিতে অংশ নিয়েছেন। অনেক আগে থেকেই সিনেমাটির নিয়ে প্রচার–প্রচারণা দর্শকদের সিনেমাটি দেখতে আকৃষ্ট করেছে। অনন্ত জলিল বেশির ভাগ সিনেমায় চমক দেখানোর চেষ্টা করেন। অনেকেই তাঁর সিনেমার প্রশংসা ও সমালোচনাও করছেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন