সুমন বলেন, ‘সিনেমা যদি ভালো হয়, তাহলে সেটা উৎসবে যাবে, প্রশংসা পাবে। আমি মনে করি, সিনেমাটিতে যে গল্প তুলে ধরেছি, সেই জায়গা থেকে আমরা সফল। সামনে আরও উৎসবে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু আমি চিন্তিত, দেশের দর্শক কতটা সিনেমাটি দেখতে পারবেন। দেখা যায় আমরা যারা একটু আর্টিস্টিক সিনেমা বা বিকল্পধারার সিনেমা নির্মাণ করতে চাই, তাদের সিনেমাগুলো বিদেশে প্রশংসা পায়; কিন্তু দেশের সিনেমা হলের মালিকেরা ছবিগুলো সেভাবে হলে চালাতে উৎসাহ দেখান না। দেশের দর্শক যদি আমাদের সিনেমাটি দেখতে পারে, আমরা যদি কাঙ্ক্ষিত সিনেমা হল পাই, তাহলেই খুশি। বিদেশে প্রশংসার চেয়েও দেশের দর্শকদের সিনেমা দেখাতে পারলে আমি খুশি হব।’

গ্রামের কৃষক ফজলু বিয়ের পর বুঝতে পারে নতুন সংসারে পুতুল একাকিত্ব অনুভব করছে। পুতুলের একাকিত্ব দূর করতে ফজলু একটি গাভি কিনে আনে। পুতুল তার সংসারে নতুন সঙ্গী পেয়ে বাবার বাড়ি ছেড়ে আসার কষ্টগুলো কিছুটা ভুলতে শুরু করে। এদিকে নদীর উজানে একের পর এক বাঁধের কারণে ভাটি অঞ্চল শুকিয়ে যাচ্ছে। এমন প্রতিকূল পরিবেশে ফজলুর মতো কৃষকদের কৃষিকাজে নানান সমস্যা সম্মুখীন হতে হয়। সামাজিক বাস্তবতার চিত্রই গল্পের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুন পুতুল ও ফজলুল হক।

পরিচালক জানান, আগামী ২০ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া। পরিচালক অংশ নেবেন উৎসবে। আজ সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ পেয়েছে। আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সিনেমাটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। আইডিয়া এক্সচেঞ্জের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শরিফ উল আনোয়ার। গত মাসে সিনেমাটি আনকাট সেন্সর সনদ পায়।