দাদাবাড়ির পথে সুচন্দা-ববিতা-চম্পা, সাত গাড়িতে আরও ছিলেন যাঁরা

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের তিন বরেণ্য শিল্পী বোন সুচন্দা, ববিতাচম্পা—সম্প্রতি একত্র হন ব্যতিক্রম পারিবারিক আয়োজনে। ভাইবোন, সন্তানসন্ততি ও স্বজনদের নিয়ে গত ২০ জুন সাতটি গাড়ির বহর ঢাকা থেকে ছুটে গেছে তাঁদের শিকড়ের টানে যশোরের দাদা-নানার বাড়িতে। ২২ জুন মধ্যরাতে তাঁরা সবাই ঢাকায় ফেরেন। আনন্দ, আড্ডা আর স্মৃতিময় মুহূর্তে ভরা সেই ভ্রমনের কয়েকটি স্থিরচিত্র একনজরে দেখে নেওয়া যাক।
১ / ১০
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের তিন কিংবদন্তি বোন—সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। দীর্ঘদিন পর অবসরপ্রাপ্ত পাইলট ভাই ইকবাল ইসলামসহ সন্তানসন্ততি ও স্বজনদের নিয়ে সাতটি গাড়ির বহরে ছুটে যান যশোরের দাদা-নানার বাড়িতে। পারিবারিক এই সফর ছিল স্মৃতি, আনন্দ আর আত্মীয়তার বন্ধনে ভরপুর।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
২ / ১০
পড়াশোনার সময় থেকেই অভিনয়ে যুক্ত হন সুচন্দা। যশোরে বেড়াতে গিয়ে স্মৃতির টানে ঘুরে দেখেন নিজের শিক্ষাজীবনের প্রতিষ্ঠান যশোর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় (মোমিন গার্লস স্কুল)। প্রধান ফটকের সামনে মেয়ে লিসা কামালের সঙ্গে অভিনেত্রীর এক আবেগঘন মুহূর্ত।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৩ / ১০
মেয়ে লিসা মালিকের কাছে এই সফর ছিল শৈশব থেকে শোনা গল্পের বাস্তব রূপ দেখা। পরিবারের সবার সঙ্গে কাটানো সময়, আত্মীয়স্বজনের ভালোবাসা আর শিকড়ের টানে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি তাঁর কাছে হয়ে থাকবে আজীবনের স্মৃতি। দাদাবাড়িতে বেড়ানোর গল্প তিনি ফেসবুকে লিখেছেন এভাবে, ‘ছোটবেলা থেকেই আম্মার মুখে তার দাদাবাড়ির কত গল্প শুনেছি—ঝড়ের পর আম কুড়ানো, গোলাভরা ধান, আর আকাশজুড়ে কবুতরের ওড়াউড়ি। এবার সেই গল্পের দাদাবাড়ি নিজের চোখে দেখার সৌভাগ্য হলো। যশোরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কাটানো এই সফর ছিল ভালোবাসা, হাসি আর অসংখ্য সুন্দর স্মৃতিতে ভরা। আর তপু ভাইয়া যে সব সময়ই আমাদের জন্য কোনো না কোনো চমক রেখে দেয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তার ফিল্মি স্টাইলে বরণ করার আয়োজন ছিল এই সফরের অন্যতম সেরা আকর্ষণ। এই সফর আমাকে বুঝিয়ে দিল, একজন মানুষের মূল্যবোধ, চরিত্র ও মানবিকতার ভিত্তি গড়ে ওঠে তার পরিবার ও শিকড় থেকে। সেই সুন্দর শিক্ষার প্রতিচ্ছবি আমি আমার মা, দুই খালা ও মামার জীবন, ব্যবহার আর পারিবারিক বন্ধনে স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি। তাদের দেখে নানা–নানির প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও অনেক বেড়ে গেছে। কারণ, এমন সন্তান গড়ে তোলার পেছনে নিশ্চয়ই ছিল তাঁদের অসাধারণ শিক্ষা ও আদর্শ। অসংখ্য ভালোবাসা ও আন্তরিকতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। যশোরের এই সফর আমার জীবনের স্মৃতিতে চিরদিন বিশেষ হয়ে থাকবে।’
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৪ / ১০
নির্দিষ্ট সময় পরপর দাদাবাড়িতে যান সুচন্দা, ববিতা ও চম্পা। এবারও তাঁদের যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই যশোরের বিজয়নগর গ্রামে ভিড় করেন সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা। সবার ভালোবাসা ও আন্তরিকতায় আপ্লুত হন তিন বোন। কেউ কথা বলেছেন, কেউ একনজর ছুঁয়ে দেখেছেন। সুচন্দাও এসব বেশ উপভোগ করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মতো অসাধারণ কিছু আর হয় না।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৫ / ১০
সুচন্দার ভাষায়, এবারের সফরের সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল বিদেশ থেকে ছোট ভাইয়ের যোগ দেওয়া। পাশাপাশি সন্তান, নাতি-নাতনি ও নতুন প্রজন্মের সদস্যরা প্রথমবারের মতো পরিবারের শিকড়কে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছে।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৬ / ১০
যশোরের বিজয়নগরে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের একাংশকে নিয়ে শতবর্ষী নিমগাছের সামনে সুচন্দা।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৭ / ১০
দাদা ও নানার বাড়ি মিলিয়ে মাত্র দুদিন কাটান সুচন্দারা। গ্রামের প্রকৃতি, আত্মীয়স্বজনের সান্নিধ্য আর পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে পাওয়ার আনন্দ তাঁদের সফরকে করে তোলে আরও বিশেষ।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৮ / ১০
যশোরের কাশিমপুর ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিশ্বাস বাড়ি। পারিবারিক ইতিহাসের এই স্মৃতিবিজড়িত বাড়ির সামনে অভিনেত্রী সুচন্দা।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
৯ / ১০
সুচন্দার দাদা আবদুল মজিদ বিশ্বাসের অনেক স্মৃতি যশোরের কাশিমপুর ইউনিয়নে। সরকারি কর্মকর্তা বাবা নিজামুদ্দীন আতাইয়ুবের চাকরিসূত্রে শৈশবের একটি সময় কেটেছে যশোর শহরের রাবেয়া মঞ্জিলে, যা নামকরণ করা হয় তাঁর নানি রাবেয়া বিশ্বাসের নামে। ছবিতে (বাম থেকে) ভাই ইকবাল ইসলাম, চম্পা, ববিতা ও সুচন্দা
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে
১০ / ১০
ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে তিন বোনের নির্ভার সময়। যশোর বেড়ানোর এক ফাঁকে ববিতা, সুচন্দা ও চম্পা।
ছবি : সুচন্দার সৌজন্যে