default-image

তবে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অনন্ত জলিল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘চুক্তিতে ছিল, বাংলাদেশ অংশের শুটিংয়ে ব্যয়ভার আমি সামলাব, বাকি দেশের খরচ ইরানি প্রযোজক দেবেন। মাত্র ২০ মিনিটের দৃশ্যধারণ হয়েছে বাংলাদেশে। চুক্তি অনুযায়ীই কাজ হয়েছে। সিনেমা মুক্তির পর তিনি কী লিখেছেন, আমি জানি না।’
বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিষয়টির সুরাহার জন্য অনন্ত জলিলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাতে তাঁর সাড়া মেলেনি বলে জানান ইরানি নির্মাতা। সে কারণেই তিনি বাংলাদেশি এ অভিনেতার বিরুদ্ধে ইরানের তেহরানে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সঙ্গে একজন আইনজীবী নিয়োগ করে বাংলাদেশের আদালতেও মামলা করবেন।

default-image

কেন তিনি সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন, সেটাও ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বর্ণনা করেছেন মুর্তজা। তাঁর ভাষ্যে, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক তৈরির জন্য সিনেমাটি প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নিই, যাতে নিজেদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নিজেদের আরও ভালোভাবে জানতে পারি।’

default-image

বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় ২০১৮ সালে সিনেমার দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছিল, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরানে সিনেমার পাশাপাশি বাংলাদেশেও সিনেমার দৃশ্যধারণ করা হয়েছে। সিনেমায় অনন্ত জলিলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা বর্ষাসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন