default-image

ওই কথাগুলো বলে হাসলেন ফেরদৌস। তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, আর কী শুনতে হয়েছিল? ফেরদৌস বলেন, ‘কেউ বলছিলেন, “সালমানের চরিত্রে তাঁর ভক্তরা তোমাকে নেবেন না”, “তুমি সালমানের অভিনয়ের ধারেকাছেও যেতে পারবে না”, “সালমান শাহ একজনই, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্যারিয়ারটাকে অনিশ্চিত পথে দিয়ো না।” পরিচিতজনদের মুখে এমন কথা শুনে কিছুটা দোটানায় ছিলাম। তখন আমার কাছে মনে হয়েছিল, আমি কেন পারব না? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হই। মনে হয়েছিল, যে স্বপ্ন নিয়ে আমি সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছি, এটি বড় সুযোগ।’

default-image

সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে আর কারও কথায় কান দেননি। কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ওই সময় ক্যারিয়ারে ঝুঁকি নিয়ে প্রথম সালমান শাহর চরিত্রে অভিনয় করেন। শুধু নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেন এই অভিনেতা। তিনি মন থেকে চাইছিলেন, সালমান শাহর অসমাপ্ত সিনেমায় জড়াবেন। এর পেছনে রয়েছে অন্য একটি বড় কারণ। প্রিয় এই নায়ক মারা যাওয়ার পর তাঁর চরিত্রে অভিনয় করা প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, ‘আমার অনেক ইচ্ছা ছিল সালমান শাহর সঙ্গে অভিনয় করার। কারণ, তাঁকে দেখেই নায়ক হওয়ার সাহস পেয়েছিলাম। যখন দেখলাম, আর একসঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ নেই, তখন শেষ স্মৃতি হিসেবে তাঁর ভূমিকায় অভিনয় করার চেষ্টা করেছি। সালমান শাহর সিনেমাটিই আমার জীবন বদলে দিয়েছে। এ সিনেমা দেখেই “হঠাৎ বৃষ্টি”র পরিচালক আমাকে ছবিতে নিয়েছিলেন।’

default-image

ফেরদৌস জানান, সালমানের সঙ্গে তেমন পরিচয় ছিল না তাঁর। শুধু একবার এফডিসিতে পরিচালক এহতেশাম তাঁকে সালমান শাহর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। ফেরদৌস বলেন, ‘আমি সালমান শাহকে অনুকরণ করিনি। তিনি তো অনেক উঁচু মানের অভিনেতা। সবাই সবার মতো অভিনয় করে। আমিও নিজের মতো করে অভিনয় করেছিলাম। আর আমি তো চরিত্রের ধারাবাহিকতা জানতাম না। তখন পরিচালক ছটকু আহমেদ, শাবনূর, মিশা, ডন আমাকে দৃশ্যের ধারাবাহিকতা বুঝিয়েছে, অভিনয়ে সহযোগিতা করেছেন। আমাকে সাহস জুগিয়েছিলেন।’

ঢালিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন