প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হলো ববিতার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করছেন ফরিদা আক্তার ববিতাছবি : বিএনপি মিডিয়া সেল

দশ বছরের বেশি সময় ধরে অভিনয়ে নেই ফরিদা আক্তার ববিতা। তাই সিনেমাসংশ্লিষ্ট কোনো আড্ডায় দেখা যায় না তাঁকে। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করতে ববিতা গিয়েছিলেন ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। পুরস্কার গ্রহণের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সামান্য কথা হয় দেশবরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী ববিতার। মুহূর্তটা চমৎকার ছিল বলে জানালেন এই অভিনয়শিল্পী।

ফরিদা আক্তার ববিতা
ছবি : মীর হোসেন

এ মাসের শুরুতে সরকার একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করে। গতকাল তাঁদের হাতে একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পুরস্কার গ্রহণ শেষে বাসায় ফেরার পর বিকেল চারটায় প্রথম আলোর সঙ্গে কথা হয় ববিতার। কী কথা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে? এই প্রশ্নে ববিতা বলেন, ‘দেখা হতেই প্রধানমন্ত্রী আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন আছেন?” আমি বললাম, ভালো। তারপর আমি বললাম, আমার খুব ভালো লাগছে, আপনার কাছ থেকে পুরস্কার নিচ্ছি। এর আগে আপনার বাবার হাত থেকেও পুরস্কার নিয়েছি।’

ফরিদা আক্তার ববিতা
ছবি: প্রথম আলো

এদিকে পুরস্কার গ্রহণের পর সেখানে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের আবদার মেটাতে সবার সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তোলেন ববিতা। তিনি মজা করে বলেন, ‘ছবি তুলতে তুলতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। অনেক দিন পর এত মানুষের সঙ্গে ছবি তুললাম। ক্লান্ত হলেও মুহূর্তটা ছিল খুবই আনন্দের।’

ফরিদা আক্তার ববিতা
ছবি: প্রথম আলো

ববিতা তাঁর পাওয়া একুশে পদক উৎসর্গ করেছেন বরেণ্য চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রজগতে এসেছি ১৩ বছর বয়সে। জহির রায়হান আমাকে নিয়ে এসেছেন। তখন আমাদের মধ্যে টাকাপয়সা প্রধান বিবেচ্য বিষয় ছিল না। প্রধান লক্ষ্য ছিল, মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হবে, ওপরে উঠতে হবে, শিল্পের ক্ষুধা ছিল—এগুলো করতে পেরেছি বলেই তো দর্শক আমাকে সম্মান করেছে, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়েছে। তাদের ভালোবাসা পেয়ে একজন ববিতা হয়েছি। সেসবের কারণেও এই পুরস্কার। শ্রদ্ধেয় জহির রায়হান সাহেব আমাকে চলচ্চিত্রের জগতে এনেছেন, তিনি না আনলে আমি এত দূর আসতে পারতাম না। তাই আমার একুশে পদক জহির রায়হানকে উৎসর্গ করছি।’