আমির সিরাজী আরও বলেন, ‘চার–পাঁচ দিন আগেও কথা হয়েছিল মুকুলের সঙ্গে। সে সুস্থ ছিল। দেখা হলেও অভিনয়, ঢালিউড নিয়ে নানা কথা হতো। সে এভাবে মারা যাওয়ায় আমরা শোকাহত। তাঁর জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া চাই।’ মুকুল তরুণ বয়স থেকেই সাংস্কৃতিক চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শখে মঞ্চে অভিনয় করতেন। পরিচালক বন্ধু এ কে সোহেলের হাত ধরে প্রথম ‘খায়রুন সুন্দরী’ সিনেমায় অভিনয় করেন। প্রথম সিনেমা দিয়েই প্রশংসা পেয়েছিলেন এই অভিনেতা।

মুকুল তালুকদারের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে চিত্রনায়ক ওমর সানী ফেসবুকে ‘খায়রুন সুন্দরী’ সিনেমার মৌসুমী ও মুকুল অভিনীত একটি দৃশ্যের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মুকুল তালুকদার “খায়রুন সুন্দরী” ছবির ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। খুব ভালো মানুষ। তিনি আমাদের ছোট ভাইয়ের মতো ছিলেন। আজ সকালে হার্ট অ্যাটাক করে ইন্তেকাল করেছেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাত নসিব করুন।’

এই অভিনেতা ‘সোনার ময়না পাখি’, ‘অরুণ শান্তি’, ‘ভাবির আদর’, ‘কমিশনার’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা। মেয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। মৃত্যুর দিন এই অভিনেতার স্ত্রী বাসায় ছিলেন না। আজ বিকেল পাঁচটায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী বরুয়াজানী গ্রামে মুকুল তালুকদারের দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

একসময় মুকুল তালুকদার ছিলেন শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক। পাশাপাশি রাজনীতিতেও জড়িত ছিলেন। পরে শখ করে অভিনয় শুরু করেন। তিনি নালিতাবাড়ী কাকরকান্দি ইউনিয়ন থেকে দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি নালিতাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।