ছবির গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, ‘পরিবারের সংকট নিয়ে গল্প। একজন মানুষের সব আছে কিন্তু তার মনে কোনো একটা চাহিদা রয়েছে। যে চাহিদাটা কখনো পূরণ হয় না। এটি একটি নতুন সংকটের গল্প। এমন বিষয় নিয়ে দেশে বা দেশের বাইরে খুব বেশি ছবি নির্মাণ হয়নি। এটি একটা জনগোষ্ঠীর গল্প। আমাদের আশপাশেই তারা থাকে। অনেকে জানে, অনেকে জানে না। এরা ক্ষতিকর নয়, বরং আমাদের উপকারে আসে। এখানে তিনজনের তিনটা গল্প দেখানো হবে।’

ছবিতে অভিনেত্রী কেয়া শিক্ষকের চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভিন্নধর্মী গল্প। চিত্রনাট্য পরে অনেক ভালো লেগেছে। যে জনগোষ্ঠীর কথা বলা হবে, গল্পে তাদের আমিও কখনো দেখিনি। সব সময় যে ধরনের গল্পে আমি কাজ করি “কাঠগোলাপ” তার থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী। সচরাচর এ ধরনের গল্প পাওয়া যায় না।’
ছবির আরেকটি গল্পে দেখা যাবে অভিনেত্রী দিলরুবা দোয়েলকে। তিনি বলেন, ‘চিত্রনাট্যটা যখন হাতে পাই, তখন পুরোটা পড়ে চমকে উঠি। এভাবেই চিন্তাভাবনা করা যায় কিংবা ভাবতে পারে কেউ—এটা মাথায় আসেনি এত দিন। কাজটা করে ভালো লাগছে।’

আরেকটি নারী চরিত্রে রয়েছেন মেঘলা মুক্তা। তিনি বলেন, ‘পরিচালক সাজ্জাদের “সাহস” দেখেছিলাম। ভালো লেগেছিল। তিনি যখন “কাঠগোলাপ”–এর চিত্রনাট্য আমাকে দিলেন। পড়ে দেখলাম এই কাজটির সঙ্গে থাকা যায়। তা ছাড়া আমি চাই সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেবে, এমন কাজ করতে।’

অপূর্ণ রুবেলের কাহিনি ও চিত্রনাট্যে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর। পান্থপথ, উত্তরা, হাতিরঝিল, মিরপুর ডিওএইচএস, শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটিসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে হয়েছে ছবির শুটিং। এতে আরও অভিনয় করেছেন রাশেদ অপু, একে আজাদ সেতু, জামশেদ শামীম, কুন্তল বুকি, শিল্পী সরকার অপু, সুজন হাবিব। ছবিটি আগামী বছর মুক্তির পরিকল্পনা করছে নির্মাতা।